Monday, December 23, 2013

ঘরোয়া ক্লিনজার


রূপচর্চার প্রথম ধাপই হলো মুখ পরিষ্কার রাখা। তাই মুখ পরিষ্কার করার জন্য দরকার ভালো ক্লিনজারের। আর ঘরোয়া ক্লিনজার হিসেবে দুধ এবং লেবুর জুড়ি মেলা ভার।

*স্বাভাবিক থেকে শুষ্ক ত্বক পরিষ্কার করার জন্য একটি ঘরোয়া ক্লিনজার হলো_ একটি বোতলে হাফ কাপ ঠাণ্ডা দুধ, পাঁচ ফোঁটা অলিভ অয়েল মিশিয়ে ফ্রিজে রেখে দিতে হবে। ব্যবহারের আগে একটু ঝাঁকিয়ে নিয়ে তুলায় ভিজিয়ে মুখে লাগাতে হবে।...

*তৈলাক্ত ত্বকের জন্য ক্লিনজার হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন গোলাপ জল ও লেবুর রসের মিশ্রণ। এই মিশ্রণটি আধা ঘণ্টা মুখে লাগিয়ে রাখতে হবে। তারপর আলতোভাবে তুলা দিয়ে ধীরে ধীরে মুখ পরিষ্কার করতে হবে। এভাবে এক মাস মুখ পরিষ্কার করলে মুখে ব্রণ এবং ফুসকুড়ির দাগ দূর হয়ে যাবে।

মুখের সৌন্দর্য বাড়ান



মুখের সৌন্দর্য বাড়ানোর চাবিকাঠিটা আমাদের হাতে রয়েছে ৷ প্রতিদিন যদি মুখে ভেষজ প্যাক লাগানো যায় ৷ আপনার গ্ল্যামার বাড়বে ছাড়া কমবে না ৷ বাজারে তৈরী প্যাক নয় ঘরে তৈরী প্যাকই মুখে লাগান ৷ বাড়িতে কি করে প্যাক তৈরী করবেন ৷ তা একেবারেই কঠিন নয় ৷ চলুন প্যাক তৈরীর রহস্যটা জেনে নিই ৷

১) ডাবের জল ও দুধের স্বর :  ডাবের জলের মধ্যে দুধের স্বর মিশিয়ে মুখের মধ্যে ভালো করে ম্যাসাজ করুন ৷ এতে মুখের বলীরেখা দূর হয়ে যাবে ৷ মুখের দাগ কমবে ৷ এছাড়া ত্বকও নমনীয় হবে ৷

২) চন্দনের বীজ আর মুলো : কখনও মুখে কালো কালো ছোপ তৈরী হয় ৷ এর থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য এক চামচ চন্দনের বীজের প্যাক, এক চামচ মূলোর রস, আর আধা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে মুখে লাগান ৷ কুড়ি মিনিট রাখার পরে মুখ ভালো করে ধুয়ে নিন ৷ এতে খুব তাড়াতাড়ি মুখে র কালো দাগ দূর হয়ে যাবে ৷
 
৩) মধু এবং লেবু : মুখের গ্ল্যামার যদি এক নিমেষে বাড়াতে চান তাহলে প্রতিদিন মুখে লেবু আর মধুর রস মিশিয়ে লাগান ৷ 20 মিনিট রাখার পরে মুখ ধুয়ে ফেলুন ৷ এতে মুখ পরিষ্কার হবে ৷ এর সঙ্গে ত্বকের তৈলাক্ত ভাবও দূর হয়ে যাবে ৷

৪) টমেটো ও লেবু : বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মুখের রোমকূপের ছিদ্রগুলোও বেড়ে যায় ৷ টমেটোর রসের মধ্যে লেবুর রস সমপরিমাণে মিশিয়ে মুখে লাগান ৷ আধ ঘন্টা রাখার পরে মুখ ধুয়ে ফেলুন ৷ এই প্যাক ত্বকের রোমকূপের ছিদ্রগুলোকে সঙ্কুচিত করবে ৷ এই প্যাকটা যদি দুধের স্বরের সঙ্গে মাখা যায় তাহলে মুখের রুক্ষ ভাবও দূর হয়ে যাবে ৷
 
৫) কাচা দুধ ও চন্দন পাউডার: রোদে ঘুরে মুখ যদি কালো হয়ে যায় তাহলে কাচা দুধের মধ্যে চন্দন পাউডার, শশার রস, লেবুর রস, বেসন মিশিয়ে প্যাক তৈরী করুন৷ ঐ প্যাকটা মুখে লাগিয়ে কিচুক্ষন রাখার পরে মুখ ধুয়ে ফেলুন৷ এতে ত্বকের কালোভাব দূর হয়ে যাবে৷

৬) সপ্তাহে একবার পাকা কলা চটকিয়ে মুখে লাগান আর ৩-৪ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। মুখে লুকিয়ে থাকা সব ময়লা নিমিষেই পালিয়ে যাবে আর আপনি হয়ে উঠবেন আরও আকর্ষণীয়।


ব্রণ সমস্যা সমাধানের টিপস

১. সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে মুখমন্ডল নিয়মিত পরিষ্কার রাখা। দিনে অন্তত দু’বার ‘ফেসওয়াস’ দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন বিশেষ করে বাইরের ধুলোবালি থেকে আসার পর ও ঘুমাতে যাবার আগে।
২. যাদের মুখমন্ডল তৈলাক্ত তারা তৈলবিহীন প্রসাধন সামগ্রী ও লোশন ব্যবহার করুন।
৩. মুখমন্ডলে ব্রণ হলে তাতে খোঁচাখুঁচি করা, চাপ দেয়া ও চিমটি কাটা থেকে বিরত থাকুন কারণ এতে ইনফেকশন হয়ে স্থায়ী দাগ পড়ে যেতে পারে।
৪. ভিটামিন ও আঁশজাতীয় শাকসবজি প্রচুর পরিমাণে খাবারের তালিকায় রাখতে হবে।
৫. অধিক লবণাক্ত খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।
৬. অতিরিক্ত সূর্যালোকে চলাফেরা করার সময় ছাতা বা সানস্ক্রীন ব্যবহার করুন।
৭. যারা শো-বিজে আছেন, তাঁরা বাড়ি ফিরে মুখের মেকআপ ভাল করে তুলে ফেলুন।
৮. মানসিক চাপ পরিহার করুন। চিন্তামুক্ত ও ফুরফুরে জীবনযাপন করুন।
৯. দৈনিক কমপক্ষে ৮ ঘণ্টা ঘুমাতে হবে এতে শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তি দূর হবে।

১০. চর্বি ও চিনিযুক্ত খাবার কম খান।
১১. দৈনিক কমপক্ষে ৮ গ্লাস পানি পান করতে হবে। পানি দেহ থেকে বর্জ্য পদার্থ নিঃসরণে সাহায্য করে। এরপরও যদি ব্রণের প্রকোপ দেখা দেয় তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
 

ত্বকের যত্নে পানি


পানির অপর নাম জীবন। বিশ্বব্যাপী ত্বকের যত্নে যখন নামী-দামী প্রশাধন সামগ্রীর ব্যবহার নজীরবিহীনভাবে বাড়ছে তখন বৃটিশ বিজ্ঞানীরা ত্বক সুন্দর রাখতে পানি নিয়ে একটি ভিন্নধর্মী তথ্য দিয়েছে। তারা গবেষণায় দেখেছেন শুধুমাত্র পর্যাপ্ত পানি পানের ফলে ত্বকে পানির পরিমাণ স্বাভাবিক থাকলে ত্বকের সৌন্দর্য বেড়ে যায় এবং ত্বকের ভাঁজ কমতে সাহায্য করে। পানি পান শুধু সুস্থ কিডনীর জন্য প্রয়োজন তাই নয়, পানি ত্বকের সৌন্দর্য রক্ষা এবং খাদ্য পরিপাকে ও এসিডিটি লাঘবে সহায়ক। যারা ত্বক সুন্দর রাখতে চান তারা প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ গ্লাস পানি পান করুন।


 

  অসাধারণ ১৮ টি টিপস


১. ঠোটেঁ কালো ছোপ পড়লে কাঁচা দুধে তুলো ভিজিয়ে ঠোটেঁ মুছবে এটি নিয়মিত করলে ঠোটেঁর কালো দাগ উঠে যাবে।
২. টমেটোর রস ও দুধ একসঙ্গ মিশিয়ে মুখে লাগালে রোদে জ্বলা বাব কমে যাবে। 
৩. হাড়িঁ-বাসন ধোয়ার পরে হাত খুব রুক্ষ হয়ে যায়। এজন্য বাসন মাজার পরে দুধে কয়েক ফোঁটা লেবু মিশিয়ে হাতে লাগান। এতে আপনার হাত মোলায়েম হবে।
৪. কনুইতে কালো ছোপ দূর করতে লেবুর খোসায় টিনি দিয়ে ভালো করে ঘষে নিন। এতে দাগ চলে গিয়ে কনুই নরম হবে।

৫. মুখের ব্রণ আপনার সুন্দর্য নষ্ট করে। এক্ষেত্রে রসুনের কোয়া ঘষে নিন ব্রণের উপর। ব্রণ তাড়াতাড়ি মিলিয়ে যাবে।
৬. লিগমেন্টেশন বা কালো দাগ থেকে মু্ক্তি পেতে আলু, লেবু ও শসার রস এক সঙ্গে মিশিয়ে তাতে আধ চা চামচ গ্লিসারিন মিশিয়ে যেখানে দাগ পড়েছে সেখানকার ত্বকে লাগান।
৭. চুল পড়া বন্ধ করতে মাথায় আমলা, শিকাকাই যুক্ত তেল লাগান।
৮. তৈলাক্ত ত্বকে ঘাম জমে মুখ কালো দেখায়। এক্ষেত্রে ওটমিল ও লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে রাখবেন আধা ঘন্টা। আধা ঘন্টা পর ঠান্ডা পানিতে মুখ ধুয়ে নিন।
৯. যাদের হাত খুব ঘামে তারা এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে লাউয়ের খোসা হাতে লাগিয়ে রাখুন কিছুক্ষণ।
১০. পায়ের গোড়ালি ফাটলে পেঁয়াজ বেটে প্রলেপ দিন এ জায়গায়।
১১. ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধির জন্য প্রতিদিন ১৫ গ্রাম করে মেৌরি চিবিয়ে খান। খুব কম সময়ে রক্ত শুদ্ধ হয়ে ত্বক উজ্জ্বল হয়ে উঠবে।
১২. মুখে কোন র্যাশ বের হলে অড়হর ডাল বাটা পেষ্ট লাগান র্যাশের উপর। কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে ফেলুন। দাগ থাকবেনা।
১৩. পিঠের কালো ছোপ তুলতে ময়দা ও দুধ এক সঙ্গে মিশিয়ে পিঠে দশ মিনিট ধরে ঘষবেন। এটা নিয়মিত করলে পিঠের ছোপ উঠে যায়।
১৪. মুখের তাৎক্ষনিক লাবণ্য আনতে একটা ভেষজ রুপটান আছে। আধা চা চামুচ লেবুর রস, এক চা চামচ মধুর সঙ্গে মিশিয়ে মুখে ও গলায় লাগান। পনের মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটা আপনার মুখকে আদ্র রাখবে।
১৫. হাত পায়ের সৈন্দৌয্য অক্ষুন্ন রাখতে হাতে ও পায়ে আপেলের খোসা ঘষে নিন। এতে হাত ও পা অনেক বেশী ফর্সা দেখাবে।১৬. মুখের বাদামী দাগ উঠাতে পাকা পেঁপে চটকে মুখে লাগান, পরে ধুয়ে ফেলুন।
১৬. নিঃশ্বাসের দুগন্ধ থেকে মুক্তি পেতে নিয়মিত দুই কোয়া করে কমলালেবু খান। দুই মাস পর এসমস্য থাকবেনা।
১৭. সমপরিমান তুলসী পাতার রস ও লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে দুই বেলা নিয়মিত মুখে লাগান যেকোন দাগ মিলিয়ে যাবে।
১৮. অতিরক্ত শুষ্কতা থেকে মুক্তি পেতে মধু, দুধ ও বেসনের পেষ্ট মুখে লাগান নিয়মিত। এতে ত্বকের বলিরেখা ও দূর হয়ে যাবে

ওজন বাড়ানোর উপায়

অনেকেই আছেন অনেক খেয়ে এবং ব্যায়াম করেও ওজন বাড়াতে পারেন না। কিভাবে ওজন বাড়াবেন, মো.মনিরুজ্জামানকে জানালেন ফিটনেস প্রশিক্ষক জহুরুল ইসলাম এবং পুষ্টিবিদ তৃপ্তি চৌধুরী ! 
যাঁরা অনেক খাওয়ার পরও ওজন বাড়াতে পারেন না, তাঁদের হার্ডগেইনার বলে। হজমশক্তি সবার এক না। এটা জন্মগত। যাঁদের হজমশক্তি খুব বেশি, খাবার খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তাঁদের ক্যালরি বার্ন হয়ে যায়, পুষ্টি গায়ে লাগে না। আবার যাঁরা একটু খেলেই মোটা হয়ে যান, তাঁদের হজমশক্তি খুব কম। খুব কম বা বেশি দুটোই খারাপ, ভালো হলো মাঝামাঝি থাকা।

* জমশক্তি ভালো করার উপায় কী?

আমাদের শরীর ঘণ্টায় নির্দিষ্ট পরিমাণ ক্যালরি বার্ন করে। সাধারণত কিছু না করা অবস্থায় ঘণ্টায় ৭৫ ক্যালরি বার্ন হয়। একজন সুস্থ ও পূর্ণবয়স্ক মানুষের দিনে ১৮০০ ক্যালরি পরিমাণ খাবার প্রয়োজন। শরীর নির্দিষ্ট সময় (তিন ঘণ্টার কিছু কম সময়) পর্যন্ত নির্দিষ্ট পরিমাণ ক্যালরি গ্রহণ করতে পারে। বেশি হলে শরীর স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাকি ক্যালরিগুলো ফ্যাট হিসেবে শরীরে জমা করে রাখবে।

কারণ একবার খেলে সেটা হজম হতে আড়াই থেকে তিন ঘণ্টা লাগে। ঘুম ছাড়া বাকি সময় আমাদের সারা দিনের ক্যালরি গ্রহণ করতে হবে।

প্রতি আড়াই বা তিন ঘণ্টা করে ছয়বারে ৩০০ ক্যালরি করে খেলে ১৮০০ ক্যালরি পূর্ণ হয়।

৩০০ ক্যালরি খাবার তিন ঘণ্টায় হজম হয়ে গেলে তিন ঘণ্টা পর সুস্থ ও স্বাভাবিক শরীর আবার নতুন খাবারের অপেক্ষায় থাকবে।

যা করবেন

* না খেলে প্রথমে শরীরে সঞ্চিত চর্বি বার্ন করে শক্তি জোগাবে। ধীরে ধীরে পেশি বার্ন শুরু করবে। এভাবে শরীর ক্ষয় হবে এবং মানুষ আস্তে আস্তে রোগা হবে।

* আপনি তিন ঘণ্টায় ৩০০-র বদলে ৩০০+ ক্যালরি গ্রহণ করেন, তাহলে আপনার শরীর তিন ঘণ্টায় ৩০০ ক্যালরি বার্ন করে শরীরের শক্তি জোগাবে। বাকি ক্যালরি সোজা ফ্যাট হিসেবে জমা হতে শুরু করবে।

* যদি তিনবার খান, তাহলে গড়ে পাঁচ-ছয় ঘণ্টা পর পর ৬০০ ক্যালরি করে খেতে হবে। তিন ঘণ্টায় ৩০০ ক্যালরি ঠিকমতো হজম হবে, বাকি খাবার ঠিকমতো হজম না হয়ে ফ্যাট হতে শুরু করবে এবং এই পরের তিন ঘণ্টা শরীর দুর্বল লাগতে শুরু করবে।

* শরীর যখন দেখবে আপনি তিন ঘণ্টা পর আবার খাবার দিচ্ছেন না, তখন সে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখতে শক্তি সঞ্চয় করতে শুরু করবে এবং সেটা ফ্যাট হিসেবে।

* খাওয়া হজম হওয়া মাত্রই তিন ঘণ্টা পর পর খাবার খান, তাহলে শরীরের আর বাড়তি কষ্ট করে অভ্যন্তরীণ শক্তি সঞ্চয় করতে হবে না; অর্থাৎ ফ্যাট জমাবে না। অর্থাৎ হজমশক্তি ভালো রাখতে নিয়মিত অল্প অল্প করে বারবার খেতে হবে।

কী কী খাবেন?

ব্যালান্সড খাবার খাবেন। প্রতি বেলায় প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট এবং ফ্যাটের সমন্বয় থাকতে হবে। মোটামুটি ৪০ শতাংশ প্রোটিন, ৩০ শতাংশ কার্বোহাইড্রেট, ৩০ শতাংশ ফ্যাট হতে হবে। মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, টক দই, লাল চালের ভাত, আটার রুটি, শাকসবজি, ফলমূল, প্রচুর পানি পান করুন। প্রথম দুই সপ্তাহে কমপক্ষে ২৫০০ ক্যালরি খাবেন। মেপে খেতে হবে না। প্রোটিন যেন যথেষ্ট হয়। প্রতি দুই ঘণ্টা পর পর কিছু না কিছু খাবেন। সেই সঙ্গে প্রচুর পানি।

কী কী খাবেন না?

সাদা ভাত, গোল আলু, ময়দা, চিনি, সোডিয়াম, অ্যালকোহল, ক্যাফেইন, নিকোটিন, প্রসেসড ফুড, ক্যান ফুড, তৈলাক্ত ও মসলাজাতীয় খাবার।

কী ধরনের ব্যায়াম করবেন?

জিমে গিয়ে খুব হার্ড ব্যায়াম করতে হবে। ওয়েট বেশি, কৌশলগত দিক কম। সপ্তাহে তিন দিন (এক দিন পর পর) ব্যায়াম করবেন। প্রতিটা সেশন ৬০ থেকে ৭৫ মিনিটের মধ্যে রাখবেন। এমন সব ব্যায়াম করতে হবে, সেসব ব্যায়ামে একই সঙ্গে একাধিক পেশিতে চাপ পড়ে। এগুলোকে 'কোর' বা 'কম্পাউন্ড' ব্যায়াম বলে। কেননা এরপর শরীর ক্লান্ত হবে। তখন ব্যায়াম চালিয়ে গেলে পেশি ক্ষয় হবে। জিম শুরুর দুই ঘণ্টা আগে খাবেন এবং শেষ হওয়ার এক ঘণ্টার মধ্যে অবশ্যই আবার খাবেন। যতটা সম্ভব বিশ্রাম নেবেন।

ঘুম কেন জরুরি

প্রতিদিন ৮-৯ ঘণ্টা ঘুমান। মানুষ ঘুমের মধ্যেই বাড়ে।
 

 
 
 
 

No comments:

Post a Comment