Saturday, December 21, 2013

হার্বাল টিপস্


আমাদের জীবনযাপনের জন্য কেমিক্যাল দ্রব্যের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছি। আমরা জানি, এসব পণ্য ব্যবহারে আমাদের ত্বক এবং শরীরের জন্য ভবিষ্যতে বিরুপ প্রভাব ফেলতে পারে। কিন্তু প্রকৃতি আমাদের জন্য কখনো ক্ষতিকর নয়। প্রাকৃতিক দ্রব্য ব্যবহারে আমরা থাকতে পারি সুস্থ্ এবং সুন্দর। আসুন জেনে নেই খুব সহজ কিছু হার্বাল টিপস :

# প্রতিদিন অন্তত ৮ গ্লাস পানি খেতে হবে...

# একগ্লাস পানিতে এক টেবিল চামচ মধু মিলিয়ে প্রতিদিন সকালে খেলে ত্বক কোমল, মসৃণ এবং উজ্জ্বল হবে

# চন্দন গুড়োয় গোলাপ জল এবং সামান্য দুধ দিয়ে পেস্ট তৈরি করে মুখ এবং পুরো শরীরে মেখে ১৫ মিনিট পর হালকা গরম পানিতে গোসল করুন।

# মধু গরম করে লেবুর রস দিয়ে মুখে মেখে কিছুক্ষণ পর ধুয়ে নিন।

# হলুদ চন্দন গুড়ো এবং ওলিভ ওয়েলের পেস্ট ১০ মিনিট ত্বকে মেখে রাখুন।

# দুধে মশ্চারাইজার থাকে, নিয়মিত মুখে মাখুন, ত্বক কোমল হবে।

# সুস্থ থাকতে বেশি পরিমাণে এ এবং সি ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার খান।

# রোদে পুড়ে ত্বক কালো হয়ে গেলে, হারানো রঙ ফিরে পেতে শশা এবং টমেটার রস সমান পরিমাণে নিয়ে মুখ হাত ও গলায় মেখে ১৫ মিনিট রাখুন।

# দই এবং ময়দা মিশিয়ে মাখলেও ত্বকের কালো ছোপ তুলতে সাহায্য করে

প্রাথমিক চিকিত্সা


একটা জিনিশ ভাবুন তো, পুরানো আমলে তো চিকিৎসা ব্যবস্থা এত উন্নত ছিল না। তখন মানুষ কি দিয়ে চিকিৎসা করতেন নিজেদের? হ্যাঁ, তখন চিকিৎসা হতো ভেষজ বা হারবাল উপায়ে। এই ভেষজ চিকিৎসা একদিকে যেমন নিরাপদ, তেমনই সহজলভ্য আর নিরাময় ক্ষমতা সম্পন্ন। আসুন, জেনে নেই কয়েকটি সহজ ভেষজ চিকিৎসা সম্পর্কে।

১) দাঁত ব্যথা করছে খুব? একটি পেয়ারার পাতা নিয়ে ভালো করে চিবাতে থাকুন। চিবিয়ে রস বের করে নিন। দাঁতের ব্যথায় পেয়ারা পাতা চিবালে ব্যথা উপশম হয়।

২) শ্বাসকষ্ট কমাতে বাসক গাছের পাতা ও ছাল একসঙ্গে সেদ্ধ করে বেটে মধু মিশিয়ে খেতে হবে রোজ কমপক্ষে একবার। নিয়মিত সেবনে কষ্ট নিরাময় হবে।

৩) পেট ফাঁপা কেবল বাচ্চাদের নয়, বড়দেরও অসুখ। ডালসহ পুদিনা পাতা ৭/৮ ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। তারপর সেই পানি ছেঁকে খেলে পেট ফাঁপা ভালো হবে।

৪) অনেকেরই গায়ে প্রচণ্ড ঘামের দুর্গন্ধ হয়। গা না হলেও পায়ে তো হয়য়ই। বেল পাতার রস পানির সঙ্গে মিশিয়ে আক্রান্ত স্থান মুছুন কয়েকদিন। নিরাময় হবে।

৫) ঠোঁটের দু'পাশে এবং মুখের ভেতরে অনেক সময় ঘায়ের মত হয়। গাব ফলের রসের সঙ্গে অল্প পানি মিশিয়ে কয়েকদিন মুখ ধুলে ঘা সেরে যায়।

৬) পেটে কৃমির সমস্যা খুব যন্ত্রণাদায়ক। বাচ্চাদের জন্য তো অবশ্যই। তেঁতুল পাতার রস সামান্য পানিতে মিশিয়ে খেলে কৃমির সমস্যা দূর হয়। পেটের কৃমি দূর করতে প্রতিদিন সকালে নাস্তার পর এক চামচ নারকেল খেতে পারেন। এতে পেটের কৃমি দূর হয়ে যাবে।

৭) নাক দিয়ে রক্ত পড়লে ডাবের পানি রোজ খাওয়া উচিত। এর সঙ্গে খালি পেটে নারকেল খেলেও নাক দিয়ে রক্ত পড়া বন্ধ হয়ে যায়।

৮) যেসব মায়েরা সন্তানকে পর্যাপ্ত পরিমাণ দুধ খাওয়াতে পারেন না তাদের জন্যে কলমি শাক দারুণ উপকারী। কলমি শাক বেটে ১/২ চামচ রস ঘি দিয়ে সাঁতলে নিয়ে দিনে দুবার সকালে ও বিকালে খেলে মায়ের দুধ বাড়বে। কলমি শাকের ভাজা খেলে তাতে কিন্তু কাজ হবে না।

৯) অজীর্ণ রোগে বা বদহজমে নিমের ছাল আদর্শ ওষুধ। ৪/৫ গ্রাম নিমের ছাল এককাপ গরম পানিতে একরাত ভিজিয়ে রেখে পরদিন সকালে সেই পানি ছেঁকে খালি পেটে খেলে অজীর্ণ সেরে যাবে।

১০) লিভার বা যকৃতের ব্যথা সারাতেও নিম এক নম্বর। ১ গ্রাম নিমের ছাল, ১/২ গ্রাম কাঁচা হলুদ ও ১ গ্রাম খানিক শুকনো আমলকির গুঁড়োর সাথে মিশিয়ে খালি পেটে খেলে এক সপ্তাহের মধ্যে ব্যথা দূর হয়ে যাবে।

১১) যে সব শিশু রাতে না ঘুমিয়ে ছটফট বা কান্নাকাটি করে তারা সাধারণত কোষ্ঠকাঠিন্যে ভোগে। এদেরও অল্প গরম দুধের সাথে (গরুর দুধ) ২০/২৫ ফোঁটা কলমির রস খাওয়ালে এদের কোষ্ঠকাঠিন্য সেরে যাবে। তবে, শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে খাওয়ানো ভালো।

১২) মুখে উঠেছে ব্রণ? একটু খানি লবঙ্গ বাটা লাগিয়ে দিন ক্ষত স্থানে। দ্রুত মিলিয়ে যাবে, আবার দাগও থাকবে না।



 কোকাকোলা 


# যুক্তরাস্ট্রের অনেক ডিস্ট্রিবিউট ট্রাকের ইঞ্জিন পরিষ্কার করার জন্য কোকাকোলা ব্যাবহার করে।

# এ জাতীয় পানীয়তে তিনদিনের মতো ডুবিয়ে রাখলে মনুষ্য দাঁত গলে মিশে যায়!!

# যুক্তরাষ্ট্রের পুলিশ অফিসারেরা গাড়িতে কোকাকোলা রাখেন যেন দুর্ঘটনার ...পর রক্ত পরিষ্কার করার কাজে ব্যবহার করতে পারেন।

# মরিচারোধে এবং গাড়ির চকচকে ভাব ধরে রাখার জন্য কোকাকোলা বেশ কাজের জিনিস।

# মরিচাযুক্ত স্ক্রু খোলার জন্য একটি কাপড়ে কোক চুবিয়ে স্ক্রুর চারপাশে ভালো করে লাগিয়ে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন, তারপর খুলে ফেলুন।

# ইন্ডিয়াতে কয়েকবছর আগে কোলা জাতীয় পণ্যে কীটনাশক ব্যবহার নিয়ে বেশ হুলস্থুল পড়ে যায়। সেখানে কিছু কিছু চাষী দামে সস্তা হওয়ায় কীটনাশকের পরিবর্তে জমিতে কোকাকোলা ব্যাবহার করেন।

# ভয়াবহ স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হতে পারে এই ধরনের পানীয়। ফ্যাট তৈরি, হৃদরোগের উচ্চ ঝুঁকি এবং উচ্চ রক্তচাপ সহ বিভিন্ন রোগকে বাজে মাত্রায় নিয়ে যাবার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে পারে কোলা।

নিঃসন্দেহে কোকাকোলা একটি অতি উপকারী বস্তু। তবে এটার অপব্যবহার রোধ করুন। পানীয় হিসেবে ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন ।
 

No comments:

Post a Comment