Showing posts with label 420. Show all posts
Showing posts with label 420. Show all posts

Tuesday, January 7, 2014

১.  রাত ১২টায় গার্লফ্রেন্ড তার বয়ফ্রেন্ডকে ফোন করে বললঃ "আমার বাড়িতে এখন কেউ নাই।"
বয়ফ্রেন্ড খুশি মনে লাফাইতে লাফাইতে গার্লফ্রেন্ড এর বাড়িতে গিয়ে দেখলোঃ আসলেই বাড়িতে কেউ নাই। দরজায় তালা মারা।

২. জঙ্গলে এক চিতা বিড়ি খাচ্ছিল। তখন এক ইঁদুর আসলো আর বলল: ভাই নেশা ছাইড়া দেও, আমার সাথে আস, দেখ জঙ্গল কত সুন্দর! চিতা ইঁদুরের সাথে যেতে লাগল। সামনে হাতি ড্রাগ নিচ্ছিল, ইঁদুর হাতিকেও একই কথা বলল। এরপর হাতিও ওদের সাথে চলতে শুরু করল। কিছুদূর যাওয়ার পর তারা দেখল বাঘ হুইস্কি খাচ্ছে। ইঁদুর যখন তাকেও একই কথা বলল, সাথে সাথে বাঘ হুইস্কির গ্লাস রেখে ইঁদুরকে দিল কইষা একটা থাপ্পড়!!
হাতি: বেচারাকে কেন মারতাছ?
বাঘ: এই শালা কালকেও গাঁজা খাইয়া আমারে জঙ্গলে ৩ ঘণ্টা ঘুরাইছিল।
 
৩. তোমার বাবার নাম কী?
ছাত্র: জানি না, স্যার।
শিক্ষক: তোমার বাবা কত স্পিডে গাড়ি চালান?
ছাত্র:  জানি না,স্যার।
শিক্ষক: মুরগি কী পাড়ে?
ছাত্র: জানি না, স্যার।
শিক্ষক: বাসা থেকে সব শিখে আসবে।
ছেলেটি বাসায় যায়—
ছেলে: বাবা, তোমার নাম কী?
বাবা: মফিজ মণ্ডল।
ছেলে: তুমি কত স্পিডে গাড়ি চালাও?
বাবা: ফুল স্পিডে।
ছেলে: বাবা, মুরগি কী পাড়ে?
বাবা: ডিম পাড়ে।
সে স্কুলে গেল—
শিক্ষক: গতকালের সব উত্তর বলো।
ছাত্র: মফিজ মণ্ডল ফুল স্পিডে ডিম পাড়ে।
 
৪. পাপ্পু একবার মাকে জিজ্ঞেস করল, "মা, Pregnant মানে কি?" তার মা অনেক রাগ করল। তা দেখে পাপ্পু ভাবল Pregnant মানে রাগান্বিত। পরের দিন পাপ্পু স্কুল থেকে ফেরার সময় ধাক্কা খেয়ে এক মেয়ের উপর পড়ে গেল। মেয়েটির মা খুব রেগে গেল! এটা দেখে পাপ্পু বলল, "পড়লাম আমি আপনার মেয়ের উপর; তাতে আপনি Pregnant হলেন কেন?"

৫. এক মাইয়া এফ বি তে নিজের ছবি দিয়া লেখছে  আমাকে দেখতে কেমনলাগছে?
এক পোলার কমেন্ট : তর বাপে ২০০০০ টাকা দিয়া মুবাইল কিন্না দিতে পার্চে আর ৫০ টাকা দিয়া এক্টা আয়না কিন্না দিতে পারে নাই।

৬. ছেলে: আমার বয়স ১৮ তোমার ?
মেয়ে: আমারও বয়স ১৮ ।
ছেলে: তাহলে চলনা ।লজ্জা পাচ্ছ কেন ?
মেয়ে: কোথায় ? 

ছেলে: ভোট দিতে

৭. পিংকি : তুমি আমাকে কতটুকু ভালবাস???
বল্টু : আমার হৃদয়টা একটা মোবাইল আর তুমি তার সিমকার্ড.
পিংকি : ওহ গড!!!! আমি কত লাকি!!!!!!
বল্টু : ( মনে মনে ) থ্যান্ক গড, ও বুঝেনি যে, মোবাইলটা ডুয়েল সিম ওয়ালা........



৮. গভীর রাত। প্রচণ্ড বৃষ্টি হচ্ছে। কেউ একজন চিৎকার করে বলছে, ‘এই যে ভাই, কেউ আছেন? একটু ধাক্কা দেবেন?’ চিৎকার শুনে ঘুম ভেঙে গেল মিসেস মলির। মলি তাঁর স্বামী রফিক সাহেবকে ধাক্কা দিয়ে বললেন, ‘এই যে, শুনছো, কে যেন খুব বিপদে পড়েছে!’ ঘুমাতুর কণ্ঠে বললেন রফিক, ‘আহ্! ঘুমাও তো! লোকটার কণ্ঠ শুনে মাতাল মনে হচ্ছে।’ অভিমানের সুরে বললেন মলি, ‘মনে আছে সেই রাতের কথা? সেদিন তোমার কণ্ঠও মাতালের মতোই শোনাচ্ছিল।’ রফিক বললেন, ‘মনে আছে। সে রাতেও প্রচণ্ড বৃষ্টি হচ্ছিল। তোমার খুব শরীর খারাপ করেছিল। গাড়িতে করে তোমাকে নিয়ে হাসপাতালে যাচ্ছিলাম। হঠাৎ গাড়ি বন্ধ হয়ে গেল। সেদিন আমিও চিৎকার করেছিলাম, কেউ আছেন? একটু ধাক্কা দিয়ে দেবেন?’ মলি বললেন, ‘মনে আছে তাহলে। সেদিন যদি তোমার চিৎকার শুনে একটা লোকও এগিয়ে না আসত, কী হতো বলো তো? আজ অন্যের বিপদে তুমি যাবে না? প্লিজ, একটু গিয়ে দেখো না!’ অগত্যা উঠতে হলো রফিক সাহেবকে। ভিজে চুপচুপা হয়ে কাদা- পানি মাড়িয়ে এগিয়ে চললেন তিনি শব্দের উৎস লক্ষ্য করে। বললেন, ‘কোথায় ভাই আপনি?’ শুনতে পেলেন, ‘এই তো, এদিকে। বাগানের দিকে আসুন।’ রফিক সাহেব এগোলেন। আবারও শুনতে পেলেন, ‘হ্যাঁ হ্যাঁ…ডানে আসুন। নিম গাছটার পেছনে…।’ রফিক সাহেব আরও এগোলেন। ‘আহ্! ধন্যবাদ! আপনার ভাই দয়ার শরীর। কতক্ষণ ধরে দোলনায় বসে আছি, ধাক্কা দেওয়ার মতো কাউকে পাচ্ছি না!’

Tuesday, December 31, 2013

অদ্ভুত প্রেমপত্র

ক্লাস ৬ এর মেয়ে ক্লাস ৮ এর ছেলেকে লিখেছে
বরাবর
আল-আমিন 
তালতলা, জনতা হাউজিং।
জনাব,
আমি আপনাকে ভালোবাসি। আমি চাই তুমিও আমাকে ভালবাসবে। তুমি যদি আমাকে ভালো না বাস তাহলে আমি তোমার আম্মুকে বলে দিব যে তুমি লুকিয়ে লুকিয়ে বিড়ি খাও। আর শোন কারেন্ট গেলে এখন আর খেলতে আসনা কেন ?  তুমি না আসলে আমার খেলতে ইচ্ছে করেনা। তুমি আর আমি যখন একসাথে লুকোচুরি খেলি তখন অনেক মজা হয়। আর শোন তুমি বস্তি ছেলেদের সাথে মার্বেল খেলো কেন? ওদের সাথে আর যেন না দেখি। আর তুমি আমার জন্য মাসুমের মতো হাত কাটবা। কেটে আমার নাম লিখবা। আমি স্কুলে যাওয়ার সময় দাঁড়িয়ে থাকবা। মাঝে মাঝে আমাকে এটা ওটা কিনে দিবা।  আমি স্কুলে ঝাল মুড়ি খাবো আর তুমি বিল দিবা। আর আমি যে তোমাকে ভালোবাসি এই কথা কাউকে বলবানা। বলবা যে তুমি আমাকে ভালোবাস কিন্তু আমি তোমাকে পাত্তা দেই না। আমি যা বলছি তাই না করলে কিন্তু তোমার আম্মুকে বলে দিব। 

ইতি তোমার স্নেহের
তানিয়া।




শিক্ষক তার ছাত্রীকে অংক শেখাচ্ছে। মনে কর তোমার কাছে ৫ টা গোলাপ আছে, আমি তোমাকে আরো ৫ টা দিলাম। তাহলে তোমার কাছে মোট গোলাপ থাকবে ১০ টি, এটাহল যোগ।
- বুঝেছ? অনেক মজা না?
- জ্বি ।
এবার ধর আমার কাছে ১০ টা চকলেট আছে, আমি তোমাকে ৮ টা দিয়ে দিলাম। আমার কাছে ২ টা থাকবে । এটা হল বিয়োগ।
- বুঝেছ? অনেক মজা, তাই না?
- জ্বি ।
এবার মনে কর, তুমি আমায় তিনটা চুমু দিলে, আর আমি তোমায় চুমু দিলাম ১২ বার । তাহলে মোট ৪ গুণ চুমু তুমি বেশি পেলে, এটা হল গুণ।
-বুঝেছ? অনেক মজা তাই না?
- জ্বি ।
দরজার পাশে দাঁড়িয়ে ছাত্রীর বাপ এতক্ষণ সব শুনছিল । ঘরে ঢুকে স্যারের ঘাড় ধরে দাড় করিয়ে দরজার কাছে নিয়ে গেল। তারপর তার পশ্চাদ্দেশে সজোরে লাথি মেরে ঘর থেকে বের করে বলে, আর এটা হল ভাগ। বুঝেছ?  মজা?



ছোট মেয়ে তার মাকে বলছে-- জানো মা আপু না অন্ধকারেও দেখতে পায়।
মা -- কেমন করে বুঝলি?

ছোট মেয়ে-- প্রাইভেট টিউটরের কাছে পড়ার সময় যখন কারেন্ট চলে গেল তখন আপু না আমার স্যারকে বলছে এই তুমি আজ সেভ কর নাই ক্যান? 


বাঘ ও শিকারির কথোপকথন::
শিকারি:আমাকে খাবেন না প্লিজ !!!

বাঘ:কেন ?
শিকারি:দৌড়াতে দৌড়াতে রক্ত ঠান্ডা হয়ে গেছে |
বাঘ:আমার তো কোল্ড ড্রিংস ই পছন্দ



আনিস সাহেব একদিন হাটতে হাটতে দেখে একটি মেয়ে ব্রিজ থেকে লাফ দিতে যাচ্ছে।
আনিস সাহেব জিজ্ঞাস করলঃ আপনি কি আত্মহত্যা করতেছেন ???
মেয়েটাঃ হ্যাঁ...!!!
আনিস সাহেবঃ আপনি তো আত্মহত্যাই করতেছেন , তাই আমি কি আপনাকে একটা কিস করতে পারি?
মেয়েটা রাজি হল, আনিস সাহেব Kissকরল। Kiss করে জিজ্ঞাস করল আনিস সাহেবঃ আপনি কেন আত্মহত্যা করতেছেন ???
মেয়েটাঃ দেখুন, আমার কি দোষ, আমি ছেলে বলে কি মেয়েদের মতো কাপড় পড়ে একটু সাঁজতে পারি না, আজব, আমি মেয়েদের মতো কাপড় পড়তে চাই, কিন্তু আমার Family থেকে দেয় না, তাই এই জীবন আর রাখব না......!!! কথাটা শুনে আনিস সাহেব নিজেই ব্রিজ থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করল......!!!



রাস্তায় এক যুবতী হেটে যাচ্ছে। এক যুবক তার দিকে তাকিয়ে আছে। যুবতীটি যুবককে তাকিয়ে থাকতে দেখে বলল-
যুবতীঃ কি দেখছেন এইভাবে??
যুবকঃ আপনাকে।
যুবতীঃ সয়তান ছেলে!! এইভাবে তাকিয়ে আছেন কেন? জীবনে কি কখনো মেয়ে দেখেন নাই?? আপনার ঘরে কি মা বোন নাই  ???????????????
যুবকঃ জ্বী মা বোন তো আছে কিন্তু নানী নাই। আপনি দেখতে একদম আমার নানীর মত।



স্ত্রীঃ উফ , এত আস্তে কেন , জোরে টেপ ।
স্বামীঃ কেন ?
স্ত্রীঃ কাজ হচ্ছে না তো ।
স্বামীঃ পারব না । হাতে জোর নেই ।
স্ত্রীঃ ধ্যাত্ ,
কতবার বলেছি রিমোট টা বদলাও ।
 







Thursday, December 19, 2013

১) একদিন এক কাঁকড়া সাগরের তীর ধরে হেঁটে যাচ্ছিল । সাগরের ঢেউ এসে বার বার তার পায়ের ছাপ মুছে দিয়ে যাচ্ছিলো । সেটা দেখে কাঁকড়া বলল ---- " তুমি আমার বন্ধু হয়ে ও কেনো বার বার  আমার এত সুন্দর পায়ের ছাপগুলো মুছে দিচ্ছো?"
ঢেউ উত্তর দিল== "এক জেলে তোমাকে ধরার জন্য তোমার পায়ের ছাপ অনুসরন করছে । তাই আমি তা মুছে দিচ্ছি । যাতে তুমি ভাল থাকো,সুরক্ষিত থাকো ।"
"সত্যিকার বন্ধু উপকার করে কিন্তু , বিনিময়ে চায় না কোন প্রতিদান"


২) স্ত্রী : তুমি আমাকে কতখানি ভালবাস গো ?
স্বামী : অনেক  বেশি ভালবাসি। 
স্ত্রী : তার প্রমান কি ? বল। 
স্বামী : আল্লাহ যদি কখনও আমাকে আমার সবচেয়ে প্রিয় জিনিসটি   কুরবানী করতে বলে তাহলে আমি তোমাকেই কুরবানী করব। 

৩) দুই ভদ্রলোক আলাপ করছে-
প্রথম লোকঃ ভাই, আমার মেয়েটা যা পাকা পেকেছে না!  সেদিন দেখি  আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে লিপস্টিক লাগাচ্ছে।
দ্বিতীয় লোকঃ তাও তো ভালো, কমই পেকেছে!  আমার ছেলেটা তো একেবারে গোল্লায় গেছে! সেদিন দেখি আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে লিপস্টিক মুছছে !!!

৪) দাদু : কিরে নারকেল গাছের উপরে উঠে কি করিস ???
নাতি : সিটি কলেজের মেয়ে দেখছি দাদু !!!
দাদু : হাত দুইটা ছেড়ে দে ।
নাতি : কেন দাদু ???
দাদু : তাহলে মেডিকেল কলেজের মেয়েদের দেখতে পারবি । 


৫) ১ম বন্ধুঃ কিরে আজ না তোর বিয়ে?
২য় বন্ধুঃ আর বলিসনা, বিয়েটা ভেঙে গেছে!
১ম বন্ধুঃ কেন, কী হয়েছে?
২য় বন্ধুঃ মশা মেরেছিলাম।
১ম বন্ধুঃ মশা মারলে বুঝি বিয়ে ভেঙে যায়?
২য় বন্ধুঃ হ্যা, কারণ মশাটা বসেছিলো আমার ............ শ্বশুরের গালে !!


৬) মেয়েঃ লাঞ্চ করেছো সোনা?
ছেলেঃ লাঞ্চ করেছো সোনা?
.
মেয়েঃ ওই, আমি আগে তোমাকে জিজ্ঞেস করেছি!!
ছেলেঃ ওই, আমি আগে তোমাকে জিজ্ঞেস করেছি!!
.
মেয়েঃ ধুর ছাতা মাথা! তুমি কি আমাকে কপি করতেছো?
ছেলেঃ ধুর ছাতা মাথা! তুমি কি আমাকে কপি করতেছো?
.
মেয়েঃ আমার মেজাজ খারাপ কইরো না বলে দিলাম!!
ছেলেঃ আমার মেজাজ খারাপ কইরো না বলে দিলাম!!
.
মেয়েঃ ওকে, চলো শপিং করতে যাই।
ছেলেঃ আমি লাঞ্চ করেছি !...!!


৭) ছেলে :বাবা সরকার কি?
বাবা : আমি ঘর চালাই আমি সরকারী দল। তোর মা খালি ঘ্যান ঘ্যান করে, তোর মা বিরোধী দল। তুই জনগন। তোর ছোট বোন মুন্নী দেশের ভবিষ্যত। আর কাজের মেয়ে কইতরী শোষিত শ্রেনী।
এরপর মামা ফোন করল...................
মামা : কিরে সবার খবর কি?
ছেলে : সরকার ঘুমাচ্ছে। বিরোধীদল তার সুবিধামত আছে। ভবিষ্যত কাঁদছে। শোষিত শ্রেনী শোষিত হচ্ছে। আর জনগন তাকিয়ে তাকিয়ে দেখছে।
 
 
 
 

বুদ্ধিমান ছেলে

একবার এক ছোট্ট ছেলে তার মায়ের সাথে শপিং করতে দোকানে গেল। দোকানদার এত সুন্দর একটা ছেলেকে দেখে খুব খুশি হলো,সে তখন একটা চকলেটের বাক্স নিয়ে এসে বললো, ' বাবু, তুমি এখান থেকে কিছু চকলেট নাও।' কিন্তু ছেলেটি নিলো না। দোকানদার এতে ভীষন অবাক হয়ে গেল! এত ছোট একটা ছেলে কিন্তু কেন সে চকলেট নিচ্ছে না? তাই সে তাকে আবার নিতে বললো। এবার ছেলেটার মাও শুনতে পেল এবং বললো, 'তুমি চকলেট নিতে পারো বাবু।' এরপরেও ছেলেটি নিল  না।  সে যখন নিজে থেকে নিচ্ছিলোই না তখন সেই দোকানদার নিজেই তার হাত দিয়ে চকলেট তুলে সেই ছেলেটিকে দিলো। এবার ছেলেটি চকলেট নিলো এবং সে তার দুই হাত ভর্তি চকলেট পেয়ে খুব খুশি হলো।
বাড়ি ফেরার সময় তার মা তাকে জিজ্ঞেস করলো যখন দোকানদার আংকেল তাকে চকলেট নিতে বললো তখন সে তা নিলো না কেন? আপনি কি ধারনা করতে পারেন ছেলেটি কি উত্তর দিয়েছিলো ? সে বললো,  ''আম্মু! আমার হাত অনেক ছোট,তাই আমি যদি চকলেট নিতাম , তবে খুব কম নিতে পারতাম। কিন্তু আংকেল যখন দিলো  তখন সে তার বড় বড় হাত দিয়ে দিলো, তাই দেখো, আমি কত বেশি চকলেট পেলাম!''
শিক্ষাঃ আমরা যখন আল্লাহ তাআলার পৃথিবী তে কিছু নেই তখন খুব কমই নিতে পারি, কিন্তু যখন আমাদের ভাল কাজের প্রতিদানে আমাদের কিছু দেন তখন  এত বেশি পরিমানে দেন যা আমরা চিন্তাও করতে পারি না।

আমার শখ : শাপলা দেখা

একটি স্কুলের ক্লাসে নুতন শিক্ষিকা এসেছেন।  প্রথমে তিনি সবার সাথে পরিচিত হতে চাইলেন। বললেন, তোমরা সবার তোমাদের নাম, রোল নং আর শখ  একে একে..বলে যাও।
 ১ ম ছাত্র : ম্যাডাম আমার রোল নং ১৩, নাম : বেলায়েত, আমার শখ : শাপলা দেখা।
শিক্ষিকা : বাহ, ভালো বেশ ভালো। শাপলা দেখা বেশ সুন্দর একটা শখ।
২ য় ছাত্র : ম্যাডাম আমার রোল নং ৭, নাম : আরিফ, আমার শখ : শাপলা দেখা।
শিক্ষিকা : বেশ, বেশ। দুজনের শখ এক রকম হতেই পারে। এবার এই যে ছেলে তুমি বলো।
৩ য় ছাত্র : ম্যাডাম আমার রোল নং ১৭, নাম : জয়নাল , আমার শখ : শাপলা দেখা।
শিক্ষিকা এবার ক্ষেপে উঠলেন। বললেন- তোমরা ছেলেরা আমার সাথে ফাজলামি করছো। সবার শখ শাপলা দেখা হয় কি করে? তোমরা চুপ করো। এবার দেখি মেয়েদের থেকে বলা শুরু করো। এবার ক্লাসের সবচেয়ে  সুন্দরী মেয়েটা উঠে দাড়ালো। বললো : ম্যাডাম আমার রোল নং ১ আর আমার নাম 'শাপলা'

৩) যেমন বাবা ...........................তেমন ছেলে

ছেলে টাকা চেয়ে বাবার কাছে  চিঠি পাঠালো  :                          
শ্রদ্ধেয় বাপ পড়ার বড় চাপ                                                   
ফুরিয়ে গেছে টাকা কেমনে থাকি ঢাকা ?                              
টাকার দরকার তাই, কিছু টাকা চাই।                                   
ইতি কানাই 
বাবা চিঠি পেয়ে উত্তর দিল  :
স্নেহের কানাই সত্য কথা জানাই  
পকেট এখন ফাকা কেমনে পাঠাই  টাকা ?    
টাকার খুব অভাব ইতি তোর্ বাপ

৪) দাড়িয়ে দাড়িয়ে ভাত খাব

মা : কি রে তুই দাড়িয়ে ভাত খাচ্ছিস কেন ?
ছেলে : এখন থেকে দাড়িয়ে দাড়িয়ে ই ভাত খাব।
মা : কেন ? কি হইছে ?
ছেলে : প্রতিদিন বাবা আমাকে বলে যে এত বড় ছেলে এখন ও বসে বসে ভাত খায়। তাই এখন থেকে ভাবছি দাড়িয়ে দাড়িয়েই ভাত খাব।

৫) মেয়ে : এমন কি জিনিস , যা গরুর ৪ টা কিন্তু আমার ২ টা ? 
বল্টু : পা
মেয়ে: এমন কি জিনিস, যা তোমার প্যান্ট এর মধ্যে আছে কিন্তু  আমার শাড়ি এর মধ্যে নাই?
বল্টু : পকেট
মেয়ে : এমন কি জিনিস, যা মানুষ রাতে বিছানায় করে ?
বল্টু : ঘুম
মেয়ে : এমন কি জিনিস, যা মেয়েরা ১ম বার করার সময় চিতকার করে?
বল্টু : কানের ছিদ্র
মেয়ে :এমন কি জিনিস যার কাছে আছে সে ওইটা দিয়ে করে আর যার কাছে নাই সে আঙ্গুল দিয়ে করে ?
বল্টু : টুথ ব্রাশ । 

৬)  বল্টু এক বাঁশের দোকানে ফোন করলঃ
- বাঁশ অছে ? বাঁশ ??
- আছে
- কোথায় ?
- দোকানের বাইরে...
- বাইরে রাখছস ক্যান ? সব পিছনদিয়া ঢুকায়ালা ।  
এই বলে লাইন কেটে দিল বল্টু । দোকানদার খুব রেগে গেল । বল্টু পরদিন আবার ফোন করল................
- বাঁশ আছে ? বাঁশ
- না নাই
- ক্যান সব কি পিছনদিয়া ঢুকায়া ফেলছস নাকি ?
এই বলে আবার লাইন কেটে দিল বল্টু , দোকানদার এবার আরও রেগে গেল ।
পরদিন আবারও বল্টু ফোন করল
- বাঁশ আছে ? বাঁশ
- নাই আবার আছে
- ক্যান একবার ঢুকাস একবার বাইর করছ নাকি ?
...........................................................................দোকানদার অজ্ঞান!

৭) একদিন ঘুম থেকে উঠে রতন তাঁর স্ত্রীকে বললেন, ‘আজকের সকালটা সুন্দর।’ পরদিনও ঘুম থেকে উঠে রতন বললেন, ‘আজকের সকালটা সুন্দর।’ এর পরদিনও একই ঘটনা। এভাবে এক সপ্তাহ পেরোনোর পর রতনের স্ত্রী বিরক্ত হয়ে বললেন, ‘প্রতিদিন এই কথা বলার মানে কী?’ রতন: সেদিন ঝগড়ার সময় তুমি বলেছিলে, কোনো এক সুন্দর সকালে তুমি আমাকে ছেড়ে চলে যাবে।

৮) রবি- জ্বলে উঠুন আপন শক্তিতে , কারণ আমাদের শক্তি নাই।
জিপি - কাছে থাকুন, দূরে যাইলে নেট পাইবেন না।
এয়ারটেল - ভালবাসার টানে কাছে আনে, নেটওয়ার্কের টানে তো আর কাছে আনা সম্ভব না। 
টেলিটক- নেটওয়ার্ক তো ভাঙছেই এবার বাঁধ ভেঙে দাও। 
১) মালিকঃ আমাদের দোকানে যে পচা ডিমগুলো ছিলো, সেগুলো কে কিনলো ??
কর্মচারীঃ লিয়াকত সাহেব।
মালিকঃ গত বছরের পাঁচ কেজি আটা?
কর্মচারীঃ লিয়াকত সাহেব।
মালিকঃ আর ঐ মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া সেমাইগুলো?
কর্মচারীঃ লিয়াকত সাহেবই সব নিয়ে গেছেন।
এমন সময় মালিকের মুখ কালো হয়ে গেল। কপাল দিয়ে ঘাম ছুটতে লাগলো।  কর্মচারী ভয় পেয়ে জিজ্ঞাস করল- হুজুর আপনার কি শরীর খারাপ লাগছে?
মালিক : না, মানে........লিয়াকত সাহেবের বাসায় আজ আমার সপরিবারে দাওয়াত আছে।


২)বল্টু এক অফিসের ম্যানেজার পদে চাকরি পেল। তো, বল্টু চাকরিতে জয়েন করার পরই কর্মচারীরা সময়মতো অফিসে আসা শূরু করল। কেউ লেট করেনা। তাই দেখে  অফিসের এম.ডি. একদিন বল্টুকে বললঃ ঘটনা কি? আগে তো কেউ সময়মতো অফিসে আসতোনা। আপনাকে ম্যানেজার করার পর থেকেই সবাই টাইমের আগেই চলে আসে!  আপনি কি জাদু জানেন নাকি ????????
বল্টুঃ না স্যার, জাদু-টাদু কিছুনা। আমি অফিস থেকে একটা চেয়ার সরিয়ে ফেলেছি। যে সবার পরে আসবে, তাকে দাঁড়িয়ে কাজ করতে হবে !! তাই সবাই টাইমের আগেই চলে আসে !!!!!!!!!

৩) এক শিক্ষক তার ছাত্রের সাথে সাগর পাড়ে ঘুরতে গিয়ে দেখলো, একটা সাইন বোর্ডে লেখা  কেউ পানিতে পড়া কাউকে উদ্ধার করলে পুরস্কার পাবে ৫০০ টাকা। শিক্ষক তখন তার ছাত্রকে বলল………
শিক্ষক : শোন আমি পানিতে ঝাঁপ দিবো তুই আমাকে উদ্ধার করবি।  টাকা ৮০% আমার আর ২০% তোর।
ছাত্র : স্যার টাকা ৫০/৫০ নিবো।
শিক্ষক ( রেগে গিয়ে ) : তোরে যেইটা বলছি তুই সেইটা কর।
এই কথা বলে শিক্ষক পানিতে ঝাঁপ দিলেন। ছাত্র  চেয়ে চেয়ে দেখছে কিন্তু  উদ্ধার করছে না।
শিক্ষক : আমাকে উদ্ধার কর। আমি সাঁতার জানি না।
ছাত্র: স্যার, আপনি সাইন বোর্ডের নিচের লেখাটা পড়েন নাই। ওই খানে লেখা আছে, লাশ 
উদ্ধার করলে পুরস্কার ৫০০০ টাকা।  

৪) কোপা শামসু গভীর রাতে বসে টিভিতে ফ্যাশন শো দেখছিল। হঠাৎ তার ছেলে ঢুকল রুমে। ছেলেকে দেখে শামসু বিব্রত হয়ে বললঃ টিভির মেয়েগুলা অনেক গরীব, তাই কাপড়-টাপর কিনতে পারে না তেমন...
উত্তরে পোলা কয়ঃ এর চেয়েও গরীব মাইয়া আছে আব্বা,  আমার কাছে DVD আছে, লাগলে নিয়া দেখতে পারো...!!!
 


৫) ক্যারিবিয়ান : আচ্ছা তোমরা বাংলাদেশীরা কেউ ছোট কেউ বড় আবার কেউ সাদা কেউ কাল কেন?  কিন্তু আমাদের দেখ সবাই এক রকম।
বাংলাদেশী : আরে এইটাই বুঝছনা বেকুব? গাঁধারা সব একই রকম হয়। আর ঘোড়া দেখতে বিভিন্ন রকম। 

৬) একবার একটা মেয়ে আলাদিনের চেরাগ পেল । ঘষা দিতেই দৈত্য হাজির... অতঃপর মেয়েটির তিনটি ইচ্ছা
১ম ইচ্ছা : আমাকে অনেক ধৈর্যশীল করে দাও । 
২য় ইচ্ছা : পৃথিবীর যত প্যাচ আর কুটনামি শিখার এবং বুঝার ক্ষমতা দাও ।
৩য় ইচ্ছা : এমন কিছু দাও যা কোনদিন শেষ হবে না ।
অতঃপর দৈত্যটা তাকে হিন্দী সিরিয়াল ও স্টার জলসা দেখতে বসিয়ে দিলো!!
 

৭) স্বামী: হ্যালো! ওগো শুনছ, আমি গাড়ি চালিয়ে সুজানার বাসায় যাচ্ছিলাম।  হঠাত  একটা ট্রাক টাল সামলাতে না পেরে আমার মুখোমুখি হয়ে গেল।  আমি কোনোমতে ট্রাকটাকে পাশ কাটিয়ে গেলাম।  কিন্তু একটা বিশাল গাছের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে গাড়িটা থমকে গেল।  আরেকটু হলেই ৫০ ফুট নিচের একটা খাদে পড়ে যেতাম। কোনোমতে উঠে এসেছি।  পা আর হাতের হাড় ভেঙেছে। এখন আমি হাসপাতালে !
স্ত্রী: আগে আমাকে  বল সুজানাটা কে ?
ওর বাসায় তুমি কেন গিয়েছিলে  ?  আমাকে না বলে তুমি আর কতজনের বাসায় এইভাবে লুকিয়ে লুকিয়ে যাও ? কেন যাও ? কি কর ? কতক্ষণ থাক ?
.............................................................স্বামী অজ্ঞান  

৮) মন্টু তার ঘরের দরজা খুলে মাথায় করে বাজারে নিয়ে যাচ্ছে। এক লোক দেখে জিজ্ঞেস করলো………
"কি ভাই, দরজা কি বিক্রি করবেন নাকি?"
মন্টু : আরে না রে  ভাই, দরজার তালা চেন্জ করবো, চাবি হারাইয়া গেছে।
লোক: কিন্তু ঘরে যদি চোর ঢুকে? .
মন্টু: কিভাবে ঢুকবে ? দরজা তো আমার কাছে!
 
১) বল্টু: লোকে বলে দুধ খেলে নাকি শক্তি বাড়ে !!
বল্টুর বন্ধু :হ্যাঁ, সত্যিই তো বাড়ে, কোন সন্দেহ আছে ?? 

বল্টু : ধুর ! পাঁচ গ্লাস দুধ খেয়ে এই দেয়ালটা আধাঘণ্টা ধইরা ধাক্কাইলাম, এক ইঞ্চিও নড়ে নাই ! সব ভূয়া !
এখন পাঁচ গ্লাস মদ খেয়ে আসলাম! দেখি দেয়ালটা আমারে দেইখা নিজেই কেমন ভয়ে কাঁপতাছে !!!!
২) বল্টুর পা নীল হয়ে গেছে। তাই সে ডাক্তারের কাছে গেল চিকিৎসা করাতে। ডাক্তার বলল,আপনার পায়ে গেগ্রিন হয়েছে তাই পা কাটতে হবে।অপারেশন করে তার পা কাটা হল। কয়েকদিন পর বল্টু আবার ডাক্তারের কাছে গেল।তার পা আবার নিল হয়ে যাচ্ছে।ডাক্তার বলল,এখন বুঝেছি আসলে আপনার প্যান্টের রঙ উঠে।
৩) ছাত্র : স্যার একটি কথা বলবো?
স্যার : কি বলবে বলো? 
ছাত্র : আমার খুব লজ্জা লাগছে। 
স্যার : লজ্জার কি আছে বল ?
ছাত্র : আস্তে বলব না জোরে বলব স্যার?
স্যার : আরে বেটা যা বলবি জোরেই  বল সবাই শুনুক।
ছাত্র : চিত্কার করে বলে-স্যার আপনার পেন্টের চেইন খোলা।
স্যার : হারামজাদা আস্তে ক। 
৪) স্যার : এই ছেলে !!!! দাড়াও ।
ছাত্র : জি স্যার....???
স্যার : এইচ.এস.সি (H.S.C) এর পুর্ণ রুপ কি?
ছাত্র : এক্কেরে সোজা !! হেডমাস্টার স্যান্ডেল চোর (H.S.C)
স্যার : হারামজাদা শয়তান ছেলে!!!!
ছাত্র : স্যার আপনেরটাও ঠিক আছে ।।।।।।।
 
৫) স্বামী: জলদি ঘরের সব দামি জিনিসপত্র লুকিয়ে ফেলো! আমার কিছু বন্ধু বাড়ি আসছে।
স্ত্রী: কেন? তোমার বন্ধুরা কি সেসব চুরি করবে?
স্বামী: আরে না। ওরা নিজেদের জিনিসপত্র  চিনে ফেলবে!
 
৬) খুশি : যখন বউ প্রেগন্যান্ট হয়.....

ভয় : যখন গার্লফ্রেন্ড.প্রেগন্যান্ট হয়......

টেনশন : যখন এই দুইজন-ই প্রেগন্যান্ট হয়.....

মাথা নষ্ট : যখন জানতে পারেন, এই দুইজনের প্রেগন্যান্টের জন্য-ই আপনি দায়ী না.....
 
৭) এরেন্জ ম্যারেজ বনাম লাভ ম্যারেজ■ *
এরেন্জ ম্যারেজের
খরচ- দেনমোহর- ১০ লাখ। গহনা- ৫ লাখ। অন্যান্য- ৫ লাখ। মোট- ২০ লাখ।
 * লাভ ম্যারেজের খরচ-
কাজী- 3 হাজার। সাক্ষী- 1 হাজার। অন্যান্য- ১ হাজার। মোট- ৫ হাজার।
Moral - জাগো বাঙালি জাগো, গার্লফ্রেন্ড লইয়া ভাগো !
 
৮) স্ত্রী :  শোনো, তোমার মেয়ে এখন অনেক টাকা খরচ করা শিখে গেছে। ওর জ্বালায় কোথাও টাকা লুকিয়ে রাখাও যায় না। যেখানেই রাখি খুঁজে বের করে আর মোবাইলে সারাদিন ঘুটুর ঘটুর ফুটুর ফুটুর করে । কি করা যায় বলোতো?

স্বামীঃ এক কাজ কর, তুমি টাকা গুলো ওর পড়ার বইয়ের মধ্যে লুকিয়ে রাখো। পরীক্ষার আগের দিন পর্যন্ত নিরাপদ থাকবে তারপর আবার সরিয়ে রাখলেই হবে!!
 
৯) পুলিশ বলছে হাবিলদারকে , তুমি কি চোরটাকে ধরতে পেরেছ?

হাবিলদার : না, স্যার । তবে চোরের ফিংগার প্রিন্ট সঙ্গে করে এনেছি ।

পুলিশ: কোথায়, দেখি?

হাবিলদার: স্যার, আমার গালে !!
 
১০) টানা এক মাস শীতের ছুটির পর স্কুল খুলেছে। ক্লাসে শিক্ষক- শিক্ষার্থীর মধ্যে কথা হচ্ছে।
শিক্ষক: শীতের ছুটি কীভাবে কাটালে তোমরা?
ছাত্র: সোয়েটার পরে, মাফলার পরে।  মোজা পরে, জ্যাকেট পরে। 
শিক্ষক: আচ্ছা, তুমি কীভাবে বুঝবে যে শীত এসে গেছে?
ছাত্রী: টেলিভিশনে বেবি লোশন, পেট্রোলিয়াম জেলি, উইন্টার ফেয়ারনেস ক্রিম ইত্যাদির বিজ্ঞাপন দেখে