Thursday, January 2, 2014

জেনে নিন আপনার পেনিস ছোট কিনা ?????????


পুরুষাঙ্গ বিষয়ক কিছু ফ্যাক্টঃ

১. এভারেজ পেনিসের দৈর্ঘ্য ৫.১--৫.৯ ইঞ্চি
২. বড় পেনিস মানেই বেশি মজা, কথাটা ঠিক নয় । আপনার ডিউরেশন কত সেটাই ফ্যাক্ট ।
৩. পেনিস কখনই একেবারে সোজা হয়না । একটু বাকা থাকেই ।
৪. পেনিসের গোঁড়া চিকন আগা মোটা এটা কোন সমস্যা নয় । অপপ্রচারের ফলে সবারই এটা একটা ভুল ধারণা  হয়ে গেছে ।
৫. কোন যাদুকরী তেল বা মালিশ পেনিস বড় করতে সক্ষম নয় । এগুলো সব  ভুয়া ।
৬. একটা মেয়েকে অরগাজম দিতে আপনার মাত্র ২-৩ ইঞ্চি লম্বা পেনিসের প্রয়োজন।
৭. বেশি বড় পেনিস হলে মেয়েরা মজা পাওয়ার বদলে ব্যাথা পায় । এমনকি সেটা যৌন আতঙ্কেও রূপ নিতে পারে।
৮. হস্তমৈথুনের ফলে পেনিস বাকা হয়না। এমন কি গোঁড়া চিকন আগা মোটাও  হয়না ।
৯. ক্ষুদ্র পেনিস বলতে ২.৭৬ ইঞ্চির চেয়ে ছোট পেনিস বুঝায় ।
১০. গোঁড়া চিকন আগা মোটা বা বাঁকা পেনিস যৌনমিলনে কোন সমস্যার সৃষ্টি করেনা । অনেকেরই এসব বিষয়ে ভুল ধারনা আছে । ভুল ধারনা নিয়ে থাকার কোন মানে হয়না। 


Sex সর্ম্পকিত যা জানতেই হবে

(১) sex শেষে প্রস্রাব করে নেয়া জরুরি।
(২) একবার sex এর পর আবার sex করতে চাইলে যৌনাঙ্গ ও হাত ধুয়ে নিতে হবে।
(৩) sex এর পর সাথে সাথে গোসল করে নেয়া উত্তম। অন্ততঃ অযুকরে নেয়া।
(৪) sex এর পর অন্ততঃ কিছুক্ষন ঘুমানো উত্তম।
(৫) জুমআর দিন অর্থাৎ বৃহস্পতিবার রাতে ও শুক্রবার sex করা মোস্তাহাব (নফল) ।
(৬) sex এর বিষয় কারো নিকট প্রকাশ করা নিষেধ। এটা একদিকে নির্লজ্জতা অন্যদিকে স্বামী/ স্তিরির হক নষ্ট করা।
(৭) স্বপ্নদোষের পর sex করতে চাইলে প্রস্বাব করে নিবে এবং যৌনাঙ্গ ধুয়ে নিতে হবে।
(৮)  অবশ্যই পরবর্তী ওয়াক্ত নামাজের কথা খেয়াল রাখো । নামাজতো কোনো ভাবেই ছাড়া যাবে না ।
(৯) sex এর পর মধু এবং দুধ খাওয়া উপকারি ।
(১০) wife কে বলুন তোমার সাথে আজ sex করে অনেক মজা পেয়েছি । তাহলে সে মনে মনে খুশি হবে এবং পরবর্তীতে sex করার জন্য মুথিয়ে থাকবে। 




যৌন মিলনে তৃপ্তি



যৌন মিলনে অফুরন্ত তৃপ্তি পাওয়ার কৌশল…যৌন মিলনে তৃপ্তি পাওয়ার কৌশল নিয়ে বিস্তর গবেষণা হয়েছে। পঞ্চাশের দশক থেকে আলফ্রেড কিসে মানুষের যৌনাবরণের উপর যে গবেষণা শুরু করেছিলেন, তা আমাদের সামনে প্রতিনিয়ত নানান নতুন নতুন তথ্য উন্মোচিত করছে। তা আমাদেরকে এমন সব তথ্যের মুখোমুখি করছে যার অনেকগুলো আমরা কখনো কল্পনাতেই আনিনা। হোমো সেক্সুয়ালিটি বা সমকামিতা সম্পর্কে আপনার ধারণা কি? সবারই একদম বদ্ধমূল বিশ্বাস সমকামীরা পায়ুকাম চর্চা করে থাকে আর এটিই তাদের একমাত্র যৌনতা। যৌন সমীক্ষকদের চালানো গবেষণাতে দেখা গেছে, পায়ুকাম কিন্তু সমকামীদের মুখ্য বা একমাত্র যৌনতা নয়, যে যৌনতা তাদের মাঝে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় তা হল মাস্টারবেশন প্রক্রিয়াতে পরস্পরকে উত্তেজিত করে তোলা। এটিকে যৌন বিজ্ঞানের পরিভাষাতে ‘মিউচুয়াল মাস্টারবেশন’ বলা হয়। সমীক্ষণে আরেকটি লক্ষণীয় দিক হলো পায়ুকাম চর্চা কেবলমাত্র সমকামীদের মাঝেই সীমাবদ্ধ নয়, সাধারণ দম্পতিদের অনেকেই এটির কমবেশি চর্চা করে থাকেন। অন্তত গবেষণাতে এটি দেখা গেছে। সমকামীদের যে পারসপরিক স্বমেহন বা মিউচুয়াল মাস্টারবেশনে-এটিতো পুরুষ আর নারী সমকামী দু’জনার বেলাতে সমভাবেই চর্চা করতে দেখা যায়। নারী সমকামীদের বেলায়তো পায়ুকামের কোনো অবকাশ নেই, সুতরাং ওদের নিয়ে আমাদের ধারণাটি নিয়ে পুনর্বার বিবেচনা করা উচিত। গবেষক নারী যৌনাঙ্গের যোনি গাত্রে লুকানো অতিমাত্রায় সংবেদনশীল জায়গা খুঁজে পান। যখন যৌনাঙ্গের এ অংশটি উদ্দীপিত করা হয় তা নারীর মাঝে চরমপুলকের অনুভূতি আর শিহরণ জাগায়। গবেষকরা এর অবস্থানের একদম সূক্ষ্ম হিসেব বাতলে দিয়েছেন-এটি যোনির অগ্রবর্তী গাত্রের মাঝে অবস্থান করে যা মুখ হতে পাঁচ সেন্টিমিটার পরিমাণ ভেতরে থাকে। আকারে শিমের বিচির মত হলেও যৌন উত্তেজনায় এর আকার বেড়ে যায়। এ স্পটের আবিষ্কার এতদিনকার প্রচলিত নানা তত্ত্বকে পাল্টে দিয়েছে। মনে রাখবেন আমাদের দেশে যৌনক্ষমতার বিষয়টিকে প্রায়ই ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়। বাজার, ফুটপাতে বিজ্ঞাপন দেওয়া হয় হরেক রকম উত্তেজক বৃদ্ধির ওষুধের। এসব ভণ্ড ব্যবসায়ীরা ক্রেতা পেলেই তাকে বিভিন্নভাবে হতাশ করে তোলেন। আসলে যৌনতার স্থায়িত্ব ৯৮ ভাগ নির্ভর করে আপনার মানসিক অবস্থার উপর। তাই হতাশ হবেন না। খুব বেশি সমস্যা দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শের পাশাপাশি মানসিক ডাক্তার দেখাতে পারেন।

স্বপ্নদোষ

এটা একধরনের অরগাজম যেটা নারী পুরুষ উভয়েই ঘুমের মধ্যে হয় এবং পুরুষে ইরেকশন ছাড়া বা ইরেকশন সহ বীর্যপাত এবং নারীতে ভ্যাজাইনাল লুব্রিকেশন সহ অরগাজম হয় ।
স্বপ্নদোষের ইতিহাসঃ
প্রতিটি সমাজেই স্বপ্নদোষের কথা সবসময়েই ছিল  এবং মোটামুটি একইভাবে বর্ণনা করা হয়েছে । সবখানেই বলা হয়েছে যে এটি শরীরকে অপবিত্র করে এবং এটি  হওয়ার পর গোসল করে এবং পরে থাকা কাপড় ধুয়ে পবিত্র হতে বলা হয়েছে । কোন ধর্মেই এটাকে পাপ বলা হয়নি কারন এতে নিজের কোন ভুমিকা ছাড়াই বীর্য নির্গত হয় ।
মধ্যযুগে মনে করা হত, ইঙ্কিউবাস এবং সাকুবাস নামের প্রেতাত্মারা ঘুমন্ত মানুষের সাথে যৌন ক্রিয়ায় লিপ্ত হয় বলে স্বপ্নদোষ হয় । কিছু খ্রিষ্টীয় উপকথায় বলা হয়, ঈশ্বর সৃষ্ট প্রথম মানবীর অতৃপ্ত আত্মা রাতে যুবকদের উপর সওয়ার হয়ে নিজের যৌন অতৃপ্তি কে প্রশমিত করে বলে স্বপ্নদোষ হয় ।
স্বপ্নদোষ বিষয়ক পরিসংখ্যানঃ
ছেলেদের ভিতর স্বপ্নদোষ প্রবণতা -----৯০%
মেয়েদের ভিতর স্বপ্নদোষ প্রবণতা ----- <৩০%
স্বাভাবিক পরিমাণঃ সাধারণত ৩ সপ্তাহে একবার । তবে মাঝে মাঝে এর বেশিও হতে পারে কিংবা অনেকদিন ধরে স্বপ্নদোষ নাও হতে পারে । মেয়েরা সাধারনত বছরে কএকবার এমন অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয় । তাও সবাই নয় । সাধারনত নিয়মিত যৌনমিলন বা হস্তমৈথুন করলে স্বপ্নদোষের পরিমান কমে যায় ।
অস্বাভাবিকতাঃ
সপ্তাহে ২ বার বা তার বেশি হওয়া । এমন হলে দেরি না করে ডাক্তার দেখান ।
অতি স্বপ্নদোষের ফলঃ
১. শারীরিক দুর্বলতা
২. অতিরিক্ত ঘুম আসা
৩. কাজকর্মে অনীহা
৪. শুক্রতারল্য বা ধজভঙ্গ
৫. লিঙ্গ উত্থান জনিত সমস্যা
স্বপ্নদোষ কমানোর উপায়ঃ
১. রাতে ঢিলাঢালা জামাকাপড় পরে ঘুমান
২. অতিরিক্ত যৌন চিন্তা বাদ দিন
৩. পর্ণ দেখা বন্ধ করুন
৪. রাতে ঘুমানোর আগে প্রস্রাব করে ঘুমান
৫. মাঝরাতে ঘুম থেকে উঠে আবার প্রস্রাব
করুন
৬. রাতে ঘুমানোর আগে কিছু বরফ নিয়ে অণ্ডকোষের চারপাশে কিছুক্ষন মালিশ করে তারপর ঘুমান ।
৭. হস্তমৈথুন এবং যৌনমিলন নিয়মিত করলে এম্নিতেই স্বপ্নদোষ কম হবে ।
৮. এরপরও যদি না কমে তবে দেরি না করে ডাক্তার দেখান ।

No comments:

Post a Comment