ঘরটা আমার কাছে দোজখ মনে হয়। ( কামরুল > কুমিল্লা > বয়স : ২৩ > ছাত্র )
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের ছাত্র আমি। বাসায় আমার মা-বাবা আর ছোট একটা ভাই নাজমুল। আমি ছাত্র হিসেবে তেমন বেশি সুবিধার নই। এস.এস.সি. তে ৪.৮৮ আর এইচ.এস.সি তে ৪.৩। যাই হোক ছোটবেলায় অনেক স্বপ্ন ছিল বড় হয়ে এই হব সেই হব , এই করব সেই করব। .............কিন্তু কিছুই আর করা হলো না, স্বপ্নগুলো স্বপ্নই থেকে গেল। এখন শুধু একটাই ইচ্ছা কোনো একটা কামাই রোজগারের ব্যবস্থা করা। কারণ পকেটে টাকা না থাকলে সবার কাছেই অবহেলার পত্র হয়ে যেতে হয়। মানুষের জীবনে সুখ-দু:খ, হাসি-কান্না থাকেই তার মানে এই নয় যে সারা জীবন দু:খের সাগরে ভাসতে হবে। তবে আমার জীবনটা এই রকমই একটা জীবন যেখানে শুধু দুঃখের আবাস। সুখের স ও নেই। আমরা দুই ভাই, আমি বড় আর আমার ছোট ভাই আমার ৯ বছরের জুনিয়র। আমার সবচেয়ে বড় কষ্ট হলো আমার বাবা-মা। জানি না কেন তারা আমাকে সহ্য করতে পারে না। হয়ত বা আমি বেকার তাই। ................কিন্তু বেকার তো আর সারা জীবন থাকব না। আমার ফাইনাল পরীক্ষা হতে আরো প্রায় ১ বছর লাগবে। হয়তবা তারপর একটা কিছু করতে পারব। তখন হয়ত বা আমার বাবা মা আমাকে অনেক আদর করবে ,,,,,,,,,,,,,,,,,কারণ তাদের ছেলে এখন কামাই করে। যদি তাই হয় তাও ভালো।
আমার কাছে মনে হয় তাও হবে না। আমি প্রতিদিন সকালে খাই বাসী ভাত দিয়া তরকারী আর আমার ছোট ভাই খায় হোটেলের নাস্তা। কখনো যদি বাসায় ডিম রান্না করা হয় তবে আমার ভাগ্গে জোটে ১ টার অর্ধেক আর আমার ছোট ভাইর ভাগ্গে আনাম ১ টুকরো। আমি আর আমার ছোট ভাই মাছ খাই না। তাই যেদিন বাসায় মাছ রান্না করা হয় সেদিন আমাদের জন্য ডিম রান্না করা হয়। ২ টা ডিম রানলে আমাকে দেওয়া হয় অর্ধেক আর নাজমুলকে দেওয়া হয় দুপুরে ১টা আর রাতে আমার ডিমের বাকি অর্ধেক। আর আমাদের বাসায় প্রায়ই মাছ রাখা হত তাই বেশিরভাগ দিনই ডিম তরকারী রান্না করা হত। যাক এগুলো তো ছোট খাটো ব্যাপার।
আমার বাবা-মা ২ জনই তাবলীগ ভক্ত। বাবা প্রতি মাসে ৩ দিনের তাবলীগে যায় আর ৩ মাস পর মাকে নিয়ে যায়। আর আমি নামাজ পরতাম তবে তাবলীগ একটু কম করতাম। মাঝে মাঝে ৩ দিনে যেতাম আর মাঝে মাঝে যেতাম না। তবে দীনের অন্যান্য ব্যাপারে আমি একটু দুরে থাকতাম যেমন দাড়ি রাখি না, সব সময় পাঞ্জাবি পায়জামা পরতাম না, প্রতিদিন কুরআন তেলাওয়াত করতাম না। আর এই ব্যাপারগুলো নিয়ে আমার বাবা মা আমাকে খুব প্রেসার দিত। যেমন : দাড়ি রাখস না কেন ? নামাজ ঘরে পরস কেন ? মসজিদে যেয়ে নামাজ পরস না কেন ? শার্ট পান্ট পরস কেন ? সব সময় পাঞ্জাবি পায়জামা পরবি ইত্যাদি।..............
প্রতি দিন ফজরের নামাজ এর সময় আমার বাবা আমাকে ধমক দিতে দিতে ঘুম থেকে উঠাতো । ওই ওঠ মসজিদে যা, ঘরের ভিতর ফুছ ফাছ নামাজ পইরা আবার শুইয়া থাকবি না , মসজিদে যেয়ে নামাজ পরবি। ................নামাজ না পড়লে ঘরে খাওন নাই। প্রতিদিন সকালে আমার ঘুমটা ভাংত বাপের বকা খেতে খেতে। বেশির ভাগ সময়ই আমি বাসায় নামাজ পরতাম আর যেদিন বাবা বকা দিয়া দিয়া মসজিদে পাঠাইতো সেদিন আর নামাজই পরতাম না। বাইরে যেয়ে একটু হাটাহাটি করে চলে আসতাম।
আমার বাবা খুব ভালো সবার সাথে খুব ভালো ব্যবহার করত শুধু আমার সাথেই একটু খারাপ ব্যবহার করত। কিন্তু ভাই আমি তো মানুষ দিনের মধ্যে ২০ বার কইরা বকা খেলে ১ বার না ১ বার তো মেজাজ খারাপ হয়ই।
আমার বাবা-মা ২ জনই তাবলীগ ভক্ত। বাবা প্রতি মাসে ৩ দিনের তাবলীগে যায় আর ৩ মাস পর মাকে নিয়ে যায়। আর আমি নামাজ পরতাম তবে তাবলীগ একটু কম করতাম। মাঝে মাঝে ৩ দিনে যেতাম আর মাঝে মাঝে যেতাম না। তবে দীনের অন্যান্য ব্যাপারে আমি একটু দুরে থাকতাম যেমন দাড়ি রাখি না, সব সময় পাঞ্জাবি পায়জামা পরতাম না, প্রতিদিন কুরআন তেলাওয়াত করতাম না। আর এই ব্যাপারগুলো নিয়ে আমার বাবা মা আমাকে খুব প্রেসার দিত। যেমন : দাড়ি রাখস না কেন ? নামাজ ঘরে পরস কেন ? মসজিদে যেয়ে নামাজ পরস না কেন ? শার্ট পান্ট পরস কেন ? সব সময় পাঞ্জাবি পায়জামা পরবি ইত্যাদি।..............
প্রতি দিন ফজরের নামাজ এর সময় আমার বাবা আমাকে ধমক দিতে দিতে ঘুম থেকে উঠাতো । ওই ওঠ মসজিদে যা, ঘরের ভিতর ফুছ ফাছ নামাজ পইরা আবার শুইয়া থাকবি না , মসজিদে যেয়ে নামাজ পরবি। ................নামাজ না পড়লে ঘরে খাওন নাই। প্রতিদিন সকালে আমার ঘুমটা ভাংত বাপের বকা খেতে খেতে। বেশির ভাগ সময়ই আমি বাসায় নামাজ পরতাম আর যেদিন বাবা বকা দিয়া দিয়া মসজিদে পাঠাইতো সেদিন আর নামাজই পরতাম না। বাইরে যেয়ে একটু হাটাহাটি করে চলে আসতাম।
আমার বাবা খুব ভালো সবার সাথে খুব ভালো ব্যবহার করত শুধু আমার সাথেই একটু খারাপ ব্যবহার করত। কিন্তু ভাই আমি তো মানুষ দিনের মধ্যে ২০ বার কইরা বকা খেলে ১ বার না ১ বার তো মেজাজ খারাপ হয়ই।
No comments:
Post a Comment