যৌন মিলনে অফুরন্ত তৃপ্তি পাওয়ার কৌশল
যৌন মিলনে তৃপ্তি পাওয়ার কৌশল নিয়ে বিস্তর গবেষণা হয়েছে। পঞ্চাশের দশক
থেকে আলফ্রেড কিসে মানুষের যৌনাবরণের উপর যে গবেষণা শুরু করেছিলেন, তা
আমাদের সামনে প্রতিনিয়ত নানান নতুন নতুন তথ্য উন্মোচিত করছে। তা আমাদেরকে
এমন সব তথ্যের মুখোমুখি করছে যার অনেকগুলো আমরা কখনো কল্পনাতেই আনিনা। হোমো
সেক্সুয়ালিটি বা সমকামিতা সম্পর্কে আপনার ধারণা কি? সবারই একদম বদ্ধমূল
বিশ্বাস সমকামীরা পায়ুকাম চর্চা করে থাকে আর এটিই তাদের একমাত্র যৌনতা। যৌন সমীক্ষকদের চালানো গবেষণাতে দেখা গেছে, পায়ুকাম কিন্তু সমকামীদের
মুখ্য বা একমাত্র যৌনতা নয়, যে যৌনতা তাদের মাঝে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় তা
হল মাস্টারবেশন প্রক্রিয়াতে পরস্পরকে উত্তেজিত করে তোলা। এটিকে যৌন
বিজ্ঞানের পরিভাষাতে ‘মিউচুয়াল মাস্টারবেশন’ বলা হয়। সমীক্ষণে আরেকটি
লক্ষণীয় দিক হলো পায়ুকাম চর্চা কেবলমাত্র সমকামীদের মাঝেই সীমাবদ্ধ নয়,
সাধারণ দম্পতিদের অনেকেই এটির কমবেশি চর্চা করে থাকেন।
অন্তত
গবেষণাতে এটি দেখা গেছে যে, সমকামীদের যে পারসপরিক স্বমেহন বা মিউচুয়াল
মাস্টারবেশনে- এটিতো পুরুষ আর নারী সমকামী দু’জনার বেলাতে সমভাবেই চর্চা
করতে দেখা যায়। নারী সমকামীদের বেলায়তো পায়ুকামের কোনো অবকাশ নেই, সুতরাং
ওদের নিয়ে আমাদের ধারণাটি নিয়ে পুনর্বার বিবেচনা করা উচিত।
গবেষক নারী
যৌনাঙ্গের যোনি গাত্রে লুকানো অতিমাত্রায় সংবেদনশীল জায়গা খুঁজে পান। যখন
যৌনাঙ্গের এ অংশটি উদ্দীপিত করা হয় তা নারীর মাঝে চরমপুলকের অনুভূতি আর
শিহরণ জাগায়। গবেষকরা এর অবস্থানের একদম সূক্ষ্ম হিসেব বাতলে দিয়েছেন-এটি
যোনির অগ্রবর্তী গাত্রের মাঝে অবস্থান করে যা মুখ হতে পাঁচ সেন্টিমিটার
পরিমাণ ভেতরে থাকে। আকারে শিমের বিচির মত হলেও যৌন উত্তেজনায় এর আকার বেড়ে
যায়। এ স্পটের আবিষ্কার এতদিনকার প্রচলিত নানা তত্ত্বকে পাল্টে দিয়েছে।
মনে রাখবেন আমাদের দেশে যৌনক্ষমতার বিষয়টিকে প্রায়ই ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়। বাজার, ফুটপাতে বিজ্ঞাপন দেওয়া হয় হরেক রকম উত্তেজক বৃদ্ধির ওষুধের। এসব ভণ্ড ব্যবসায়ীরা বিক্রেতা পেলেই তাকে বিভিন্নভাবে হতাশ করে তোলেন। আসলে যৌনতার স্থায়িত্ব ৯৮ ভাগ নির্ভর করে আপনার মানসিক অবস্থার উপর। তাই হতাশ হবেন না। খুব বেশি সমস্যা দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শের পাশাপাশি মানসিক ডাক্তার দেখাতে পারেন।
মনে রাখবেন আমাদের দেশে যৌনক্ষমতার বিষয়টিকে প্রায়ই ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়। বাজার, ফুটপাতে বিজ্ঞাপন দেওয়া হয় হরেক রকম উত্তেজক বৃদ্ধির ওষুধের। এসব ভণ্ড ব্যবসায়ীরা বিক্রেতা পেলেই তাকে বিভিন্নভাবে হতাশ করে তোলেন। আসলে যৌনতার স্থায়িত্ব ৯৮ ভাগ নির্ভর করে আপনার মানসিক অবস্থার উপর। তাই হতাশ হবেন না। খুব বেশি সমস্যা দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শের পাশাপাশি মানসিক ডাক্তার দেখাতে পারেন।
বিবাহিতদের জন্য যৌন মিলনের গোপণ তথ্য
আপনার পার্টনারের সঙ্গে যৌন মিলনকে মধুর করতে হলে আপনাকে চারটে নিয়ম মেনে
চলতে হবে৷ আপনি যদি এই চারটে নিয়মকে ঠিক ভাবে মেনে পার্টনারের সঙ্গে
শারীরিক ভাবে মিলিত হন তাহলে আপনি প্রকৃত অর্থে সহবাসের সুখ লাভ করবেন৷‘দ্য
ফোর সিক্রেটস অফ আমাজিং সেক্স’ এই গ্রন্থে লেখক জর্জিয়া ফস্টার এবং
বেভারলি এনি ফস্টার চারটে নিয়মের কথা বলেছেন৷ তাদের মতে যৌন মিলনের আগে
শরীরের তুলনায় মানসিক ভাবে প্রস্তুতি
নেওয়াটা জরুরি৷ মানসিক ভাবে আপনি যদি যৌন মিলনের জন্য তৈরি থাকেন তাহলেই
আপনি এর চরম সুখ লাভ করতে পারবেন৷ যৌন মিলনের জন্য চারটে গোপণ তথ্যের
প্রথমটা হল :
সিডাকশান: বেশীরভাগ মানুষই মনে করে যৌন মিলনের আগে নিজেদের যৌন উত্তেজনা বাড়াতে হবে৷ না সেটা একেবারেই ভুল ধারনা৷ আগে মনে প্রাণে যৌন চেতনা জাগান৷ যৌন মিলনের আগে মানসিক ভাবে প্রস্তুতি নিন৷ আপনি কখনই ভাববেন না আপনার পার্টনারের যৌন উত্তেজনা নিমেষেই বেড়ে যাবে৷ মানসিক ভাবে অনুভব করার পরেই এটা বাড়ানো সম্ভব৷
সেনসেশান: যৌন মিলনের ক্ষেত্রে সিক্স সেনস একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়৷ সেক্ষেত্রে আপনি এবং আপনার পার্টনার উভয়েরই ষষ্ঠ ইন্দ্রিয়কে জাগ্রত করতে হবে৷ কারণ যৌন মিলনের সময়ে প্রচুর এনার্জীর প্রয়োজন জয়৷ এনার্জী লাভের জন্য ষষ্ট ইন্দ্রিয়কে জাগানো জরুরি৷
সারেন্ডার: তৃতীয় চাবিকাঠিটা হল নিরাপত্তা৷ যৌন মিলনের সময় আপনি যদি নিশ্চিন্তে আপনার পার্টনারের কাছে নিজেকে সপে দিতে পারেন তাহলেই আপনার যৌন মিলন সফল হবে৷ এর জন্য পার্টনারের কাছে আপনি যে নিরাপদ রয়েছে সেই মানসিক ভাবনাটা থাকা জরুরি৷
রিফ্লেকশান: আপনি যদি প্রথম তিনটে নিয়্ম ভ্রুনাক্ষরে পালন করে তাহলে আপনি আপনার অভিজ্ঞতাতেই এর প্রতিবিম্বটা খুঁজে পাবেন৷ পুণরায় যৌন মিলনের আগ্রহ আপনার মনে জাগবে৷
নারী যেভাবে তৃপ্ত
যৌনমিলনে পুরুষের সঙ্গে যাতে নারীও পূর্ণ সঙ্গম তৃপ্তি ও সুখ উপভোগ করতে পারে সেদিকে দৃষ্টি রাখা পুরুষের কর্তব্য। তাছাড়া নারীর সহজে যৌন উত্তেজনা আসে না। এর কারণ,নারীর যৌন অঙ্গ ছাড়াও কামকেন্দ্র শরীরের নানা অঞ্চলে বিস্তৃত। যেমনঃ-
১) ঠোঁট
২) গাল
৩) মুখ
৪) স্তন
৫) স্তনের বোঁটা
৬) নিতম্ব
৭) যোনি ও ভগাঙ্কুর
নারীর ভগাঙ্কুর নারীর শ্রেষ্ঠতম যৌন কেন্দ্র এবং এর ক্রিয়া ব্যতিত কোনো
শৃঙ্গারই সম্পূর্ণ হতে পারে না- এমন মত প্রকাশ করেছেন যৌন বিজ্ঞানীরা। ডাঃ
ব্রায়ান রবিনসন নামে যৌন শাস্ত্রবিদ বলেন, ‘নারীর ভগাঙ্কুর নারী দেহরূপী
প্রাসাদের সদর দরোজার কলিং বেল’। বৈদ্যুতিক কলিং বেলে আঘাত করলে যেমন সমস্ত
প্রাসাদে তার শব্দ ধ্বনিত হয় এবং প্রাসাদবাসী সংকুচিত হয়। তেমনি নারীর
ভগাঙ্কুরে হালকা আঘাত করলে বা স্পর্শ করলে নারী দেহের সমস্ত কাম-চৈতন্য
মাথা চাড়া দিয়ে জেগে ওঠে।
সহবাসকালে নারীর এসব জায়গায় পুরুষের
হাত বা মুখের স্পর্শ না লাগলে নারীর কামেচ্ছা যেন তৎক্ষণাৎ জেগে ওঠে না।
তাই নারী চায় পুরুষ তাকে কাছে টেনে নিয়ে চুম্বন, আলিঙ্গন, স্তন মর্দন,
দংশন ও গাত্র লেহনে ভরিয়ে তুলুক। যৌন মিলনকালে পুরুষ লিঙ্গ স্ত্রীর যৌন
অঙ্গসমূহ দখল করলেও পুরুষের হাত চায় স্তন মর্দন করতে, আর মুখ চায় ঠোঁট
চুম্বন করতে। কাজেই,যৌনাঙ্গেরমতই স্ত্রীর স্তন, বুক, মুখ, গাল, ঠোঁট যৌন
মিলনকালে পুরুষের প্রিয় অঞ্চল। স্বামীর শৃঙ্গারে উত্তেজিত ও উৎক্ষিপ্ত
হয়ে রতিক্রিয়ায় স্ত্রী যেমন অধিক আনন্দ পায়, ঠিক সেরূপভাবে স্ত্রীর
শৃঙ্গারে উত্তেজিত উৎক্ষিপ্ত হয়ে মিলনকাজে পুরুষও আনন্দ ও তৃপ্তি লাভ করে।
শৃঙ্গার দ্বারা স্ত্রীর সুপ্ত, ঘুমন্ত যৌনতাকে জাগ্রত করতে হয়। অতএব
সঙ্গমের পূর্বে নারীকে শৃঙ্গার করা প্রত্যেক পুরুষেরই কর্তব্য। যৌনমিলন
যেমন প্রত্যেক জীবের শারীরিক ও মানসিক তাগিদ, ঐরূপ শৃঙ্গারও জীবের একটা
স্বাভাবিক তাগিদ। যৌনতাকে উৎকর্ষতায় ও সুখে-তৃপ্তিতে ভরিয়ে তুলতে হলে
শৃঙ্গার করুন, শৃঙ্গারে শৃঙ্গারে চূড়ান্ত যৌন মিলনের দিকে এগিয়ে যান।
দেখবেন আপনি সুখী হবেন, আপনার স্ত্রীও সুখী হবেন।
No comments:
Post a Comment