Thursday, December 19, 2013

বুদ্ধিমান ছেলে

একবার এক ছোট্ট ছেলে তার মায়ের সাথে শপিং করতে দোকানে গেল। দোকানদার এত সুন্দর একটা ছেলেকে দেখে খুব খুশি হলো,সে তখন একটা চকলেটের বাক্স নিয়ে এসে বললো, ' বাবু, তুমি এখান থেকে কিছু চকলেট নাও।' কিন্তু ছেলেটি নিলো না। দোকানদার এতে ভীষন অবাক হয়ে গেল! এত ছোট একটা ছেলে কিন্তু কেন সে চকলেট নিচ্ছে না? তাই সে তাকে আবার নিতে বললো। এবার ছেলেটার মাও শুনতে পেল এবং বললো, 'তুমি চকলেট নিতে পারো বাবু।' এরপরেও ছেলেটি নিল  না।  সে যখন নিজে থেকে নিচ্ছিলোই না তখন সেই দোকানদার নিজেই তার হাত দিয়ে চকলেট তুলে সেই ছেলেটিকে দিলো। এবার ছেলেটি চকলেট নিলো এবং সে তার দুই হাত ভর্তি চকলেট পেয়ে খুব খুশি হলো।
বাড়ি ফেরার সময় তার মা তাকে জিজ্ঞেস করলো যখন দোকানদার আংকেল তাকে চকলেট নিতে বললো তখন সে তা নিলো না কেন? আপনি কি ধারনা করতে পারেন ছেলেটি কি উত্তর দিয়েছিলো ? সে বললো,  ''আম্মু! আমার হাত অনেক ছোট,তাই আমি যদি চকলেট নিতাম , তবে খুব কম নিতে পারতাম। কিন্তু আংকেল যখন দিলো  তখন সে তার বড় বড় হাত দিয়ে দিলো, তাই দেখো, আমি কত বেশি চকলেট পেলাম!''
শিক্ষাঃ আমরা যখন আল্লাহ তাআলার পৃথিবী তে কিছু নেই তখন খুব কমই নিতে পারি, কিন্তু যখন আমাদের ভাল কাজের প্রতিদানে আমাদের কিছু দেন তখন  এত বেশি পরিমানে দেন যা আমরা চিন্তাও করতে পারি না।

আমার শখ : শাপলা দেখা

একটি স্কুলের ক্লাসে নুতন শিক্ষিকা এসেছেন।  প্রথমে তিনি সবার সাথে পরিচিত হতে চাইলেন। বললেন, তোমরা সবার তোমাদের নাম, রোল নং আর শখ  একে একে..বলে যাও।
 ১ ম ছাত্র : ম্যাডাম আমার রোল নং ১৩, নাম : বেলায়েত, আমার শখ : শাপলা দেখা।
শিক্ষিকা : বাহ, ভালো বেশ ভালো। শাপলা দেখা বেশ সুন্দর একটা শখ।
২ য় ছাত্র : ম্যাডাম আমার রোল নং ৭, নাম : আরিফ, আমার শখ : শাপলা দেখা।
শিক্ষিকা : বেশ, বেশ। দুজনের শখ এক রকম হতেই পারে। এবার এই যে ছেলে তুমি বলো।
৩ য় ছাত্র : ম্যাডাম আমার রোল নং ১৭, নাম : জয়নাল , আমার শখ : শাপলা দেখা।
শিক্ষিকা এবার ক্ষেপে উঠলেন। বললেন- তোমরা ছেলেরা আমার সাথে ফাজলামি করছো। সবার শখ শাপলা দেখা হয় কি করে? তোমরা চুপ করো। এবার দেখি মেয়েদের থেকে বলা শুরু করো। এবার ক্লাসের সবচেয়ে  সুন্দরী মেয়েটা উঠে দাড়ালো। বললো : ম্যাডাম আমার রোল নং ১ আর আমার নাম 'শাপলা'

৩) যেমন বাবা ...........................তেমন ছেলে

ছেলে টাকা চেয়ে বাবার কাছে  চিঠি পাঠালো  :                          
শ্রদ্ধেয় বাপ পড়ার বড় চাপ                                                   
ফুরিয়ে গেছে টাকা কেমনে থাকি ঢাকা ?                              
টাকার দরকার তাই, কিছু টাকা চাই।                                   
ইতি কানাই 
বাবা চিঠি পেয়ে উত্তর দিল  :
স্নেহের কানাই সত্য কথা জানাই  
পকেট এখন ফাকা কেমনে পাঠাই  টাকা ?    
টাকার খুব অভাব ইতি তোর্ বাপ

৪) দাড়িয়ে দাড়িয়ে ভাত খাব

মা : কি রে তুই দাড়িয়ে ভাত খাচ্ছিস কেন ?
ছেলে : এখন থেকে দাড়িয়ে দাড়িয়ে ই ভাত খাব।
মা : কেন ? কি হইছে ?
ছেলে : প্রতিদিন বাবা আমাকে বলে যে এত বড় ছেলে এখন ও বসে বসে ভাত খায়। তাই এখন থেকে ভাবছি দাড়িয়ে দাড়িয়েই ভাত খাব।

৫) মেয়ে : এমন কি জিনিস , যা গরু টা কিন্তু আমারটা ? 
বল্টু : পা
মেয়ে: এমন কি জিনিস, যা তোমার প্যান্ট এর মধ্যে আছে কিন্তু  আমার শাড়ি এর মধ্যে নাই?
বল্টু : পকেট
মেয়ে : এমন কি জিনিস, যা মানুষ রাতে বিছানায় করে ?
বল্টু : ঘুম
মেয়ে : এমন কি জিনিস, যা মেয়েরা ১ম বার করার সময় চিকার করে?
বল্টু : কানের ছিদ্র
মেয়ে :এমন কি জিনিস যার কাছে আছে সে ওইটা দিয়ে করে আর যার কাছে নাই সে আঙ্গুল দিয়ে করে ?
বল্টু : টুথ ব্রাশ । 

৬)  বল্টু এক বাঁশের দোকানে ফোন করলঃ
- বাঁশ অছে ? বাঁশ ??
- আছে
- কোথায় ?
- দোকানের বাইরে...
- বাইরে রাখছস ক্যান ? সব পিছনদিয়া ঢুকায়ালা  
এই বলে লাইন কেটে দিল বল্টু দোকানদার খুব রেগে গেল বল্টু পরদিন আবার ফোন করল................
- বাঁশ আছে ? বাঁশ
- না নাই
- ক্যান সব কি পিছনদিয়া ঢুকায়া ফেলছস নাকি ?
এই বলে আবার লাইন কেটে দিল বল্টু , দোকানদার এবার আরও রেগে গেল
পরদিন আবারও বল্টু ফোন করল
- বাঁশ আছে ? বাঁশ
- নাই আবার আছে
- ক্যান একবার ঢুকাস একবার বাইর করছ নাকি ?
...........................................................................দোকানদার অজ্ঞান!

৭) একদিন ঘুম থেকে উঠে রতন তাঁর স্ত্রীকে বললেন, ‘আজকের সকালটা সুন্দর।’ পরদিনও ঘুম থেকে উঠে রতন বললেন, ‘আজকের সকালটা সুন্দর।’ এর পরদিনও একই ঘটনা। এভাবে এক সপ্তাহ পেরোনোর পর রতনের স্ত্রী বিরক্ত হয়ে বললেন, ‘প্রতিদিন এই কথা বলার মানে কী?’ রতন: সেদিন ঝগড়ার সময় তুমি বলেছিলে, কোনো এক সুন্দর সকালে তুমি আমাকে ছেড়ে চলে যাবে।

৮) রবি- জ্বলে উঠুন আপন শক্তিতে , কারণ আমাদের শক্তি নাই।
জিপি - কাছে থাকুন, দূরে যাইলে নেট পাইবেন না।
এয়ারটেল - ভালবাসার টানে কাছে আনে, নেটওয়ার্কের টানে তো আর কাছে আনা সম্ভব না। 
টেলিটক- নেটওয়ার্ক তো ভাঙছেই এবার বাঁধ ভেঙে দাও। 

No comments:

Post a Comment